Showing posts with label FuN. Show all posts
Showing posts with label FuN. Show all posts
24 April 2013
21 February 2012
Jokes of the Day: 02
শিক্ষকঃ বলতো শিক্ষকদের স্থান কোথায়?
রফিকঃ আমার পিছনে ।
শিক্ষকঃ বেয়াদব; শিক্ষকদের সম্মান করতে শেখনি।
রফিকঃ আমার কি দোষ স্যার !!
আব্বু ই তো বলেন তোর পিছনে এতো শিক্ষক দিলাম তারপরেও তুই পাস করতে পারলি না ..
****************************************************************************
প্রেমিক-প্রেমিকার কথোপকথন—
প্রেমিক: আমি মনে হয় তোমাকে বিয়েটা করতে পারব না।
প্রেমিকা: এত দিন পর এ কথা বলছ কেন? কেন, কী হয়েছে বলো তো শুনি?
প্রেমিক: না, তেমন কিছু না। আমার বাসা থেকে নিষেধ আছে।
প্রেমিকা: তা তোমার বাসায় কে কে আছেন?
প্রেমিক: বেশি না। আমার এক স্ত্রী আর তিন সন্তান .
****************************************************************************
আপনারা যদি ১টি বৌ থাকে তাহলে তারা আপনার সাথে ঝগড়া করবে ।
আর
আপনার যদি ২টি বৌ থাকে তাহলে তারা আপনার জন্য ঝগড়া করবে ।
****************************************************************************
মাস্টারঃ তোমরা নিশ্চিই বুঝতে পেরেছো মানুষ কি ভাবে সৃষ্টি হয়েছে ?
এক ছাত্রঃ কিন্তু মাষ্টার মশাই বাবা যে বললো আমাদের সৃষ্টি হয়েছিল বানরের থেকে ।
মাষ্টারঃ এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে চাই না । কেননা এটা তোমাদের পারিবারিক ব্যাপার ।
****************************************************************************
রাতে গাড়ি চালিয়ে ফিরছিলেন এক ভদ্রলোক। গাড়ি জ্যামে আটকে গেলে এক ভিক্ষুক এসে হাত পাতল।
: দয়া করে কিছু দিন স্যার !
: তুমি মদ খাও ?
: না স্যার।
: তুমি ধূমপান কর ?
: না।
: জুয়া খেল ?
: না।
: তুমি শিগগির আমার গাড়িতে উঠ।
: যা দেবার এখানেই দিন, স্যার।
: না, তোমাকে বাড়ি নিয়ে আমার স্ত্রীকে দেখাতে চাই যে, মদ, জুয়া, ধূমপান এ সবের সাথে না থাকলে মানুষের জীবনের কি ভয়াবহ অবস্থা হয়।
****************************************************************************
শিক্ষক: ওয়াদা করো সিগারেট পান করবে না
ছাত্ররা: ওকে স্যার, পান করবো না।
শিক্ষক: মেয়েদের পিছে ঘুরবেনা
ছাত্ররা: ঘুরবো না।
...শিক্ষক: ওদের ডিস্টার্ব করবে না।
ছাত্ররা: ওকে, ডিস্টার্ব করবো না
শিক্ষক: দেশের জন্য জীবন কোরবান করবে।
ছাত্ররা: অবশ্যই স্যার, এই রকম পানসে জীবন দিয়া করবই বা কি।
****************************************************************************
একজন মেয়ে আসল কাপড় ক্রয় করতে ।
মেয়ে: ভাই এই জামাটার দাম কত?
দোকানদার: চালাকি করে বললেন ৫ টা kiss ।
ময়ে: ঐ জামাটার দাম কত?
দোকানদার: ১০ টা kiss.
মেয়ে: ২টাই প্যাকেট করে দিন ।আমাদের কজের বুয়া বিল দিয়ে যাবে ।
****************************************************************************
এক মহিলা ডাক্তার পাগলাগারদে এক পাগলকে বল্ল : "আমার ওড়না খুলো"
পাগল তাই করলো।
ডাক্তারঃ " আমার কামিজ খুলে ফেলো "
পাগল ডাক্তারের কামিজ খুলে ফেললো !!!!
ডাক্তারঃ "এবার আমার সালোয়ার খুলো !!!!! "
পাগল তাও খুলে ফেল্ল।
এরপর ডাক্তার পাগলকে বল্ল : "আর কোনদিন যাতে আমার কাপড় পড়তে না দেখি... ঠিক আছে??"
পাগল বল্ল : ঠিক আছে !
****************************************************************************
সর্দারজী তার বসকে এস এম এস করলোঃ “আমি অসুস্থ, আজকে অফিসে আসা হবে না।”
বস এস এম এস এর রিপ্লাই দিলেনঃ “আমি অসুস্থ বোধ করলে আমার বউকে আদর করি। তুমিও এটা করে দেখতে পারো।”
ঘন্টা খানেক পর সর্দারজী আবার এস এম এস এর রিপ্লাই দিলেনঃ “অনেক ভালো বোধ করছি। আপনার বউ খুব ই চমতকার মেয়ে।”
****************************************************************************
ইংল্যান্ড দলের বিখ্যাত উইকেটরক্ষক ফ্রেড প্রাইস সেদিন দুর্দান্ত খেলছিলেন। সাত সাতটি ক্যাচ লুফে নিয়ে তিনি পুরো মাঠ কাঁপিয়ে দিলেন। খেলা শেষে যখন তিনি বিশ্রাম নিচ্ছিলেন, তখন এক ভদ্রমহিলা এলেন তাঁর কাছে। বললেন, আপনার উইকেটকিপিং দেখে আমি দারুণ উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলাম। আরেকটু হলে বোধহয় গ্যালারি থেকে পড়েই যেতাম। প্রাইস উত্তরে বললেন, পড়ে গেলেও ভয়ের কিছু ছিল না। আজ আমি যে ফর্মে আছি, আপনাকেও নিশ্চয়ই ক্যাচ ধরে ফেলতাম।
****************************************************************************
ছেলেঃ তোমাকে দেখলেই আমারহার্ট বিট থেমে যাওয়ার উপক্রম হয় :-)
মেয়েঃ তাই ?
ছেলেঃ হ্যা
মেয়েঃ কেন ?
ছেলেঃ এই ভুতের মত চেহার উপর পেত্নীর মত মেকাআপ লাগাইলে ভয় পামু না ??
****************************************************************************
টিচারঃ "তুমি দেরিতে এসেছ কেন???"
ছাত্রঃ " স্যার, বাবা মা ঝগড়া করছিলো"
টিচারঃ "তার সাথে তোমার দেরিতে আসার সম্পর্ক কি??"
ছাত্রঃ "আমার এক জুতা বাবার হাতে, আরেক জুতা মার হাতে ছিল
****************************************************************************
এক ভদ্রমহিলা গেছেন ডাক্তারের কাছে—
ভদ্রমহিলা: ডাক্তার সাহেব, আমার দুটো কান পুড়ে গেছে।
ডাক্তার: হুম্, দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু কীভাবে পুড়ল?
ভদ্রমহিলা: আমি আমার স্বামীর শার্ট ইস্ত্রি করছিলাম। হঠা ৎ ফোন এল। আমি ফোন না তুলে ভুল করে ইস্ত্রিটা তুলে কানে লাগিয়ে ফেলেছিলাম।
ডাক্তার: বুঝলাম, কিন্তু অন্য কানটা পুড়ল কীভাবে?
ভদ্রমহিলা: লোকটা যে আবারও ফোন করেছিল
****************************************************************************
একটি ছোট ছেলে একটি চাকু নিয়ে তার হাতে তার গার্লফ্রেন্ডের নাম লিখল।
কয়েক মিনিট পর সে জোরে কাঁদতে লাগল
কেন? ব্যাথা করছে?
…
না !
তাহলে?
বানান ভুল হইসে !!!
****************************************************************************
এক পাগলাগারদে ডাক্তার আর পাগলের কথোপকথন :
পাগলা গারদে এক পাগল ছাদের সাথে দড়ি লাগিয়ে ঝুলছিল………..
এটা দেখে ডাক্তার বললঃ ওই তুই ঝুলিস কেন ?
পাগলঃ আমি তো বাল্ব!
ডাক্তারঃ তাইলে জলিস না কেন??
পাগলঃ আরে পাগল তুই কোন দেশে আছিস এইটা বাংলাদেশ, কারেন্ট পামু কই???
****************************************************************************
এক পাগলাগারদে ডাক্তার আর পাগলের কথোপকথন :
পাগলা গারদে এক পাগল ছাদের সাথে দড়ি লাগিয়ে ঝুলছিল………..
এটা দেখে ডাক্তার বললঃ ওই তুই ঝুলিস কেন ?
পাগলঃ আমি তো বাল্ব!
ডাক্তারঃ তাইলে জলিস না কেন??
পাগলঃ আরে পাগল তুই কোন দেশে আছিস এইটা বাংলাদেশ, কারেন্ট পামু কই???
****************************************************************************
আনিস সাহেব একদিন হাটতে হাটতে দেখে একটি মেয়ে ব্রিজ থেকে লাফ দিতে যাচ্ছে।
আনিস সাহেব জিজ্ঞাস করলঃ আপনি কি আত্মহত্যা করতেছেন ???
মেয়েটাঃ হ্যাঁ...!!!
আনিস সাহেবঃ আপনি তো আত্মহত্যাই করতেছেন, তাই আমি কি আপনাকে একটা Kiss করতে পারি?
মেয়েটা রাজি হল, আনিস সাহেব Kiss করল।
Kiss করে জিজ্ঞাস করল আনিস সাহেবঃ আপনি কেন আত্মহত্যা করতেছেন ???
মেয়েটাঃ দেখুন, আমার কি দোষ, আমি ছেলে বলে কি মেয়েদের মতো কাপড় পড়ে একটু
সাঁজতে পারি না, আজব, আমি মেয়েদের মতো কাপড় পড়তে চাই, কিন্তু আমার Family
থেকে দেয় না, তাই এই জীবন আর রাখব না......!!!
কথাটা শুনে আনিস সাহেব নিজেই ব্রিজ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করল......!!!
****************************************************************************
মানসিক ডাক্তারের কাছে গেছেন এক রোগী।
ডাক্তার: কী সমস্যা আপনার?
রোগী: আমার নিজেকে একটা মুরগি মনে হয়।
ডাক্তার: কবে থেকে আপনার এ সমস্যা?
রোগী: যখন আমি ডিম ছিলাম, তখন থেকেই!
****************************************************************************
একবার
ক্লাস এ পরীক্ষা চলছে ; যে শিক্ষক হল পরিদর্শনে আছেন পুরো হল এ চক্কর
দিচ্ছেন ছাত্ররা বিন্দুমাত্র সুযোগ পাচ্ছেনা দেখা দেখি বা কথা বলার। ঠিক এই
সময় এক ছাত্র শিক্ষক কে একটা চিরকুট ধরিয়ে দিলো সাথে সাথে শিক্ষক তার
চেয়ার এ গিয়ে চুপচাপ বসে পড়লেন!! কি ছিল চিরকুট এ?? ...।
"স্যার আপনার প্যান্ট পিছন থেকে ফাটা"
****************************************************************************
মেয়েদের টি শার্ট এ সবচেয়ে মজার জিনিস কি লিখা থাকতে পারে
"excuse me --- আমার ফেইস উপরে "
****************************************************************************
যুবতী ছাতি মিস্ত্রির নিকট ভাঙ্গা ছাতি নিয়ে গেল
মিস্ত্রী, “ উপরের কাপড় খুলতে হবে,আর নীচে ডান্ডা লাগাতে হবে”
যুবতী, “ যা ইচ্ছা করো,কিন্তু পানি যেন ভিতরে না পড়ে”
****************************************************************************সব বিয়েই সুখের। পরবর্তী সময়ে একসঙ্গে থাকতে গিয়েই যত ঝামেলা শুরু হয়।
****************************************************************************অফিস থেকে বাড়ি ফিরে স্বামী বলল, ‘শুরু করার আগে ভাতটা দাও, খেয়ে নিই।’
স্ত্রী ভাত বেড়ে দিল। ভাত খেয়ে স্বামী ড্রয়িংরুমের সোফায় বসতে বসতে বলল, ‘শুরু করার আগে এক গ্লাস পানি দাও…বড্ড তেষ্টা পেয়েছে।’
স্ত্রী পানি দিয়ে গেল।পানি খেতে খেতে স্বামী বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়ল। তারপর বলল, ‘শুরু করার আগে এক কাপ চা দাও না আমাকে।’
এইবার স্ত্রী গেল খেপে, ‘অ্যাই, পেয়েছ কী তুমি আমাকে, আমি তোমার চাকর?
অফিস থেকে ফিরে একটার পর একটা খালি অর্ডার মেরেই যাচ্ছ…নির্লজ্জ, অসভ্য,
ছোটলোক, স্বার্থপর…’
স্বামী কানে তুলা গুঁজতে গুঁজতে বলে, ‘এই যে…শুরু হয়ে গেল।’
****************************************************************************৩৫-এর পর আমার কি আর বাচ্চা নেওয়া ঠিক হবে?
—না। ৩৫টা বাচ্চাই যথেষ্ট।
****************************************************************************
বাচ্চা ছেলে হবে না মেয়ে হবে তা জানার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো তার জন্ম পর্যন্ত অপেক্ষা করা।****************************************************************************
মানুষ যতদিনে বুঝতে পারে যে তার বাবা ঠিক কথাই বলত, ততদিনে তার ছেলে বড় হয়ে তার ভুল ধরতে শুরু করে।****************************************************************************
আমি আমার স্ত্রীকে বললাম, ‘স্বামী হলো ওয়াইনের মতো, যত পুরোনো ততই ভালো।’ পরদিন সে আমাকে সেলারে আটকে রাখল।****************************************************************************
যদি বলো আকাশে চার বিলিয়ন তারা আছে, তাহলে না গুনেই সবাই সেটা বিশ্বাস করবে। কিন্তু যদি বলা হয়, মাত্র রং করেছি, চেয়ারের রংটা এখনো শুকায়নি, তাহলে সবাই হাত দিয়ে দেখবে।
****************************************************************************শিক্ষক : দ্বীপ কাকে বলে?
ছাত্র : দ্বীপ হলো কোনো ভূ-খণ্ড, যার একপাশ ছাড়া আর সব পাশেই জল দিয়ে ঘেরা।
শিক্ষক : তা দ্বীপের কোন পাশটা জল দিয়ে ঘেরা থাকে না?
ছাত্র : কেন, উপরের দিকটা!
****************************************************************************শিক্ষক তাঁর প্রিয় ক্লাস থ্রির ছাত্রকে বলছেন:
তোমার বাবা তোমাকে দুইটা খরগোশ দিল,তোমার মা তোমাকে দুইটা খরগোশ দিল তাহলে তোমার মোট কয়টা খরগোশ হবে।
ছাত্র বললো-- স্যার পাঁচটা।
শিক্ষক বললেন--একটু হিসাব করে বলো,
ছাত্র বললো-- স্যার হিসাব করেই বললাম ৫ টা।
এবার স্যার বললেন-- মনে করো তোমার বাবা তোমাকে দুইটা কলা দিলেন, আর তোমার মা তোমাকে দুইটা কলা দিলেন, তোমার মোট কয়টা কলা হবে?
ছাত্র------চারটা কলা হবে। শিক্ষক এবার খুব খুশী হয়ে-- এইতো তুমি বুঝতে পারছো।
তাইলে এবার ভালো করে হিসাব করে বলোতো, তোমার বাবা তোমাকে দুইটা খরগোশ
দিলেন, আর তোমার মা তোমাকে দুইটা খরগোশ দিলেন,তাহলে মোট কয়টা খরগোশ হবে/
ছাত্র বললো--স্যার পাঁচটা।
স্যারের মেজাজ এবার অত্যধিক খারাপ, কন্চি হাতে নিয়া এবার বললেন, ক্যামনে তোর পাঁচটা খরগোশ হয় বুঝাইয়া ক।
ছাত্র কেলকেলাইয়া হাসিয়া কয়,
স্যার আমার বাবায় যদি দুইটা আর মা য়ে যদি দেন দুইটা আর আমার আগের আছে একটা তাহলে মোট পাঁচটা না হইয়া কয়টা হয়? এতো হিসাবে কি আছে?
****************************************************************************প্রথম বন্ধু : তুই তো এমন ভাব নিস, যেন সবই জানিস। তাহলে বল তো দেখি, সাপের সবচেয়ে প্রিয় বিষয় কোনটা?
দ্বিতীয় বন্ধু : কেন, হিসসসস্-ট্রি!
****************************************************************************বহুদিন ধরে ছেলে আর মেয়েটি দেখা করছে। সম্পর্ক বেশ অন্তরঙ্গ পর্যায়ে
পৌঁছেছে। কিন্তু ছেলেটি বিয়ের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেই না। শেষ পর্যন্ত মেয়েটি
বলল, তোমার কি মনে হয় না, আমাদের বিয়ে করার সময় হয়েছে?
দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে ছেলেটি বলল, এত কিছুর পর আমাদের কে আর বিয়ে করবে, বলো?
****************************************************************************তিনবন্ধু গেছে মরুভূমিতে ঘুরতে। সেইখান ঘুরতে ঘুরতে দেখে একজন লোক মরমর।
তাকে বাচানোর জন্য অনেক চেষ্টা করল তারা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারে নাই।
লোকটা তাদের হাতে মারা গেল। তবে মারা যাবার আগেই তাদের বলল, তোমরা আমাকে
বাচানোর অনেক চেষ্টা করছ। তোমাদের উপর খুশী হয়ে আমি খোদার কাছে প্রার্থনা
করলাম। হে খোদা তুমি এদের
একটা করে ইচ্ছা পুরন করো। তারপর তাদের বলল তোমরা কোনো একটা উচু জায়গায় উঠবা।এরপর চোখ বন্ধ করে দিবা লাফ। লাফ দেয়ার সময় চিৎকার করে বলবা তোমরা কি চাও। খোদা তোমাদের সেটা দিবে।
কয়েকদিন পর তিনজন গেছে সুইমিং পুলে। উচু বোর্ডে উঠছে লাফ দিবে। একজনের মনে
পড়ল দোয়ার কথা। লাফ দেবার সময় সে চিৎকার করে বলল- টাকা। সাথে সাথে সে
শুন্যে মিলিয়ে গেলো আর গিয়ে পড়ল টাকা ভর্তি একটা সুইমিং পুলে। দ্বিতীয়জন
লাফ দেবার সময় চিৎকার করে বলল-সেক্স। সে গিয়ে পড়ল সুইমিং পুল ভর্তি মেয়ের
মাঝে। তৃতীয় জন বোর্ডে উঠে ভাবছে কি চাইবে কি চাইবে। সে দৌড় দিল।লাফ দেয়ার
আগ মুহুর্তে তার প্যান্ট রেলিং এ আটকিয়ে গেছে।
আর সে চিৎকার করে বলে উঠল- oh shit
****************************************************************************এক নিভৃত কক্ষে প্রেমিক প্রেমিকা। প্রেমিকা তনুশ্রী স্টাইলে জামাকাপড় সব খুলে, বিহ্বল কন্ঠে,
: আমার যা কিছু আছে সব তোমার।
প্রেমিক দারুন অবাক হয়ে,
: তোমার কি মাথা খারাপ? এই সালোয়ার-কামিজ দিয়ে আমি কি করব? আমি পুরুষমানুষ না?
****************************************************************************আমেরিকার এক প্রেমিক তার প্রেমিকাকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ করলো। সময়
মত মধ্যরাত্রিতে সে মই বেয়ে প্রেমিকার জানালা পর্যন্ত উঠলো। জানালার কাঁচে
টোকা দিল প্রেমিক।
মেয়েটি ভয়ে ভয়ে জানালা খুললো। ছেলেটি জিজ্ঞেস করল, "তুমি তৈরী?" মেয়েটি বলল, হুশশশ! আমার ভয় করছে, বাবা যদি আমাদের ধরে ফেলেন।
ছেলেটি নির্বিকার ভাবে বলল, তাতে কি? তিনিতো নিচে আমার মই ধরে দাঁড়িয়ে আছেন।
****************************************************************************এক শহরে পরকীয়ার খুব চল। কমবেশী সবাই করছে। এরাই আবার চার্চে গিয়ে ফাদারের
কাছে কনফেশন করে তারা কি করেছে। বৃদ্ধ ফাদার এইসব শুনতে শুনতে ক্লান্ত। এক
রবিবারে তিনি সবাইকে বললেন আর কেউ যদি আমার কাছে পরকীয়ার কথা স্বীকার করে
তবে এই শহর আমি ছাড়ছি। শহরের লোকজন আবার ফাদারকে খুবই পছন্দ করে। এরা ভাবল
পরকীয়ার নতুন কোন শব্দ বা কোড ব্যবহার করতে হবে। শহরবাসী এরপর থেকে পরকীয়ার
জন্য ব্যবহার করতে লাগল "আছাড়"।
" ফাদার! আমি আছাড় খাইছি এই সপ্তাহে......"
নতুন পদ্ধতি খুব ভালো কাজ করে। ফাদার কিছুই টের পাননা। একদিন বৃদ্ধ ফাদার
মারা যান। তার জায়গায় নতুন আর অল্পবয়স্ক একজন ফাদার আসে। সে ত আছাড় খাওয়ার
কথা শুনতে শুনতে অবাক। সে গেলো শহরের মেয়রের কাছে।
" মেয়র! আমাদের শহরের রাস্তাগুলো ঠিক করা দরকার। লোকজন প্রচুর আছাড় খাচ্ছে"
মেয়র বুঝলেন বেচারাকে কেউ আছাড়ের মানে বুঝিয়ে দেয় নাই। আর বেকুব ফাদারটা চলে এসেছে সরাসরি তার কাছে। তার হাসি চলে আসল।
ঠিক এমন সময় ফাদার বললেন, "আমি বুঝি না কেনো আপনি হাসছেন??? আপনার বউই ত এই সপ্তাহে তিনবার আছাড় খাইছে"
****************************************************************************ছোট ফার্ম, বিশটার মত মুরগী আর একটা মাত্র মোরগ। মোরগটা বুড়িয়ে যাওয়াতে
মালিক নতুন একটা মোরগ এনেছেন। নতুনজন খুবই তেজী। বুড়াকে তো পাত্তাই দেয় না।
সবগুলো মুরগী তার চাই।
বুরো মোরগ একবার বলেছিল, অন্তত পাঁচটা আমাকে দাও, সে রাজি হয়নি। বলেছে সব ক"টা আমার।
পরদিন বুড়োটা জোয়ানটাকে গিয়ে বলল, ঠিক আছে, হয়ে যাক একটা পরীক্ষা। তুমি জিতলে সবগুলো তোমার।
কি পরীক্ষা?
তোমার সাথে আমার দৌড় প্রতিযোগিতা হবে। তবে, আমি একট ু বয়স্ক, একটু সুযোগ তো আমাকে দিতেই হবে।
কি সুযোগ?
আমি তোমার দশফুট সামনে থেকে শুরু করবো।
নো প্রবলেম। দশফুট এমন আর কি? জোয়ান মোরগ, ইয়াং কক, রাজি হয়ে গেল।
নির্দিষ্ট সময়ে শুরু হল দৌড়। বুড়ো দশফুট সামনে, নতুন মোরগ পেছনে দৌড়াচ্ছে। প্রাণপণ দৌড়।
প্রায় যখন জোয়ানটা বুড়োটাকে ধরে ফেলেছে, তখনই একটা গুলির শব্দ শোনা গেল।
ফার্মের মালিকের বিরক্তিও শোনা গেল, " শিট্ ! আরও একটা গে মোরগ! শালার
মোরগগুলার হইছে কি? খালি বুড়াটারেই ধাওয়ায়?"
****************************************************************************
এক মিসনারি স্কুলে কিছু বাচ্চা টিফিন নেবার জন্য লাইনয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আপেলের পাত্রে মিস একটা ট্যাগ লাগিয়ে দিলেন "সবাই একটা করে আপেল নেবে, বেশি নেবার চেষ্টা করবে না, কারণ ইশ্বর দেখছেন।"এটা দেখে এক বাচ্চা চকলেটের পাত্রে ট্যাগ লিখল- "যত খুশি নাও কারণ ইশ্বর আপেল পাহারা দিচ্ছেন।"
****************************************************************************
এক বাচ্চা মেয়ে একদিন বারান্দায় বসে বসে তার মায়ের থালা বাসন ধোয়া দেখছিলহঠাত সে দেখল তার মায়ের মাথায় কিছু চুল সাদা।
-মা, তোমার মাথায় কিছু চুল সাদা কেন?
-তুমি যখন একটা খারাপ কাজ কর তখন আমি অনেক রেগে যাই, আমার কান্না পায় আর একটা চুল সাদা হয়ে যায়।
-আচ্ছা মা তাহলে নানির মাথার সব চুল সাদা কেন?
****************************************************************************
স্কুলে এক অনুষ্ঠানে ক্লাস টু এর সব ছাত্রছাত্রীর একটা গ্রুপ ছবি তোলা হল, মিস সবাই কে অনুরোধ করছেন একটা করে ছবি নেবার জন্য।-তোমরা সবাই যখন অনেক বড় হয়ে যাবে তখন ছবি দেখে বলবে, ঐ যে আমার বন্ধু মোনা, একসাথে কত মারা মারি করেছি, ও এখন ডাক্তার। ঐ যে আশিক, ও ইঞ্জিনিয়ার............
সাথে সাথে এক পিচ্চি বলে উঠলো , আর ঐ আমাদের মিস, উনি মরে গেছেন।
****************************************************************************
একটা ছেলে গভীর রাতে একা একা টিভিতে কি যেন দেখছিল। হঠাৎ ছেলেটির দাদু ঐ ঘরে প্রবেশ করল..............................................................ছেলেটি ফ্যাশন টিভি দেখছিল।
দাদু একটু দেখার পর নাতি কে প্রশ্ন করল,
ঐ মেয়ে গুলা এত কম কাপড় পরছে কেন রে ?
নাতি উত্তর দিল,
দাদু, ওরা খুব গরীব তো তাই
দাদু বলল,
এর চেয়ে গরীব কেউ আসলে আমারে ডাক দিস তো !
****************************************************************************
একদিন উপবন ট্রেনে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ ট্রেনটা রেললাইন ছেড়ে মাটিতে নেমে গেল। সাথে সাথে হুরোহুরি আর সব যাত্রীদের আতংকিত চিৎকার শুরু হয়েগেল। কিভাবে কিভাবে, কিছুক্ষন পর ট্রেনটা আবার রেললাইনে উঠে এল। সব যাত্রী মিলে হৈ চৈ করে ট্রেনটা থামিয়ে বেচারা ট্রেন ড্রাইভারকে কলার ধারে নিচে নামিয়ে নিয়ে এল। তাদের জিজ্ঞাসা, ট্রেন কেন লাইন ছেড়ে মাটিতে যাবে, তুই তাহলে কি করিস? বেচারা ড্রাইভার বল্ল কি করব ভাই, একজন লোক হঠাৎ লাইনের উপর এসে পরল... । এই বলা মাত্র লোকজন এই মারে তো সেই মারে। বলে, আরে হারামজাদা, এতগুলো যাত্রীর জীবনের চেয়ে একজন বোকা লোকের জীবন তোর কাছে বড় হলো? এত গুলো মানুষের রিস্ক তুই কেন নিলি? তুই ওর উপরদিয়ে গাড়িতুলে দিলিনা কেন? .... তখন ড্রাইভার বলে, আমি তো তাই করতে চাইছিলাম, কিন্তু লোকটা হঠাৎ মাঠের দিকে দৌড় দিল.....।****************************************************************************
এক গৃহকর্মী তার মালিক গৃহকত্রীর কাছে বায়না ধরেছে তার বেতন বাড়াতে হবে।গৃহকত্রীঃ তোমার বেতন বাড়ানো হয়েছে ছয় মাসও হয় নি। এখনি আবার বেতন বাড়ানোর আবদার কেন?
গৃহকর্মীঃ এই সময়ের মধ্যে আমি তিনটি সার্টিফিকেট পেয়েছি...।তাই বেতন বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছি।
গৃহকত্রীঃ কি কি সার্টিফিকেট?
গৃহকর্মীঃ আমি আপনার চেয়ে ভাল কাপড় আয়রন করতে পারি।
গৃহকত্রীঃ কে দিয়েছে এই সার্টিফিকেট?
গৃহকর্মীঃ জ্বী, স্যার মানে... আপনার স্বামী......
গৃহকর্মীঃ হুম, আর কি সার্টিফিকেট পেয়েছো......
গৃহকর্মীঃ আমি আপনার চেয়ে ভাল রান্না করতে পারি...
গৃহকত্রীঃ কে বলেছে তুমি আমার চেয়ে ভাল রান্না কর? (বেশ রাগত স্বরে...)
গৃহকর্মীঃ জ্বী, আপনার স্বামী বলেছেন...
গৃহকত্রীঃ আচ্ছা ঠিক আছে, হতে পারে তুমি আমার চেয়ে ভাল রান্না কর......আমি কি চাকরানী নাকি যে ভাল রান্না জানতে হবে? বলো আরেকটি কি সার্টিফিকেট পেয়েছ?
গৃহকর্মীঃ আমি আপনার চেয়ে বিছানায় ভাল পারফর্ম করতে পারি।
কত্রী তো এবার রেগে আগুন। আমার স্বামী বলেছে এই কথা?? ওর সাথে তোমার তাহলে এইসবও হয়??
গৃহকর্মীঃ জ্বী না, আপনার স্বামী বলেনি......বলেছে আপনার গাড়ির ড্রাইভার!
গৃহকত্রীঃ (কত্রী এবার চুপ...জোঁকের মুখে লবন পড়েছে) ঠিক আছে তোমার বেতন বাড়ায়ে দেয়া হবে...এসব নিয়ে কথা বলার দরকার নাই।
****************************************************************************
দোস্ত, তোমার জন্য উপদেশ:
এক) কখনো স্ত্রীর পছন্দের উপর হেসো না।
(কারণ, তুমিও তাদের একটি চয়েস)
দুই) কখনো নিজের পছন্দের বড়াই কর না...
(কারণ, তোমার স্ত্রীও তার একটি)
****************************************************************************
একটি সমীক্ষায় দেখে গেল...
একজন পুরুষ দৈনন্দিন ২৫০০০ শব্দ এবং মহীলা ৩০০০০ শব্দ উচ্চারণ করে। এতে মোটেও সমস্যা হবার কথা নয়, অথচ নারীদের টকেটিভ বলা হয়!!!
অপর সমীক্ষায় দেখা গেল-
পুরুষ যখন ২৫০০০ শব্দ উচ্চারণ করে অফিস থেকে বাসায় ফিরে তখনই নারীর ৩০০০০ শব্দ উচ্চারিত হওয়া শুরু করে।
****************************************************************************
বিবাহিত জীবন সুখী হয় দেয়া এবং নেয়ার মধ্যে।
স্বামী টাকা পয়সা, গিফ্ট, পোশাক দিয়ে থাকে স্ত্রীরা নিয়ে থাকে।
কিন্তু, স্ত্রীরা যখন এডভাইজ, টেনশন, লেকচার দিতে থাকে তখন অনেক স্বামীই সেটা ঠিক মত নিতে পারেনা, ফলে গন্ডগোল দেখা দেয়।
****************************************************************************
মেয়েদের ইজ্জত দিতে শেখ, কারণ আজ তুমি তাদের ইজ্জত দিলে হতে পারে কাল সে ও তোমাকে তার ইজ্জত দিবে...
****************************************************************************
ALL GIRLS ARE DEVIL BUT MY WIFE IS QUEEN..
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
OF THEM
****************************************************************************
Jokes of the day: 01
একটি বাচ্চা ছেলে তার যুবক গৃহ শিক্ষকের উপর রেগে আগুন হয়ে বলল, কাল রাতে
যাবার সময় গেটের কাছে আপনি আমার বোনকে চুমো খেয়েছিলেন, আমি দেখেছি। যুবক
কাচুমাচু খেয়ে বলল, তাই বুঝি তুমি দেখে ফেলেছ। আচ্ছা এই তিরিশ টাকা নাও
আর কাওকে বলবে না কিন্তু।
ছেলেটা তিরিশ টাকা পকেটে ঢুকিয়ে অপর পকেট থেকে পাঁচ টাকার নোট বের করে তার গৃহ শিক্ষকের দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল, এই নিন বাকী টাকা। সবার কাছ থেকে যা নেই – আপনার কাছ থেকে বেশী নেব কেন।
**************************************************************
মনা পাগলা ভোরবেলায় রিকশায় চড়ে যাচ্ছে দেখে অন্য এক লোক তাকে ডেকে বলল, কি ভাই, ভোরবেলায় রিকশায় চড়ে কোথায় যাচ্ছেন?
**************************************************************
দীর্ঘদিন চিকিৎসা করার পর তিন পাগলকে নিয়ে বসেছেন চিকিৎসক।
**************************************************************
কুদ্দুস চাচা বাসে উঠে একাই একটা ডাবল সীট দখল করে বসেছেন।
**************************************************************
ছোট মেয়ে তার মাকে বলছে-- জানো মা আপু না অন্ধকারেও দেখতে পায়।
**************************************************************
একজন
মহিলা ২ সপ্তাহের জন্য ইটালি যাবেন কোম্পানি ট্রেনিং এ। তার স্বামী তাকে
এয়ারপোর্টে পৌছে দিলেন এবং তার শুভযাত্রা কামনা করলেন। তার স্ত্রী ধন্যবাদ
দিয়ে জিজ্ঞেস করলেন "তোমার জন্য কি আনব?"
**************************************************************
প্রচণ্ড অলস এক লোক বড়শিতে মাছ তুলে বসে আছে।
**************************************************************
স্ত্রী: আমার সাথে ১০ বছর সময় কাটানো তোমার কাছে কি?
**************************************************************
দুই
লোক রাস্তায় দাঁড়িয়ে মারামারি করছে। আর একটা বাচ্চা দাঁড়িয়ে তা দেখছে। এক
পর্যায়ে পুলিশ বাচ্চাটিকে জিজ্ঞেস করল, তোমার বাবা কোনজন?
**************************************************************
দুই ঘনিষ্ট বন্ধুর কথোপকথন।
**************************************************************
এক লোকের বাড়ি সার্চ করে জাল নোট পাওয়ার যন্ত্রপাতি পাওয়া গেল। তাকে গ্রেফতার করা হলো।
**************************************************************
কী রে, এই নতুন সাইকেল কোথায় পেলি?
**************************************************************
স্ত্রীঃ প্রত্যেক দিন পাশের বাসার ছেলে-মেয়ে দুটিকে দেখি বিদায় নেবার সময় পরস্পরকে চুমু খায়, তুমি ওরকম কর না কেন?
**************************************************************
দুই বন্ধুর আলাপচারিতা-
**************************************************************
সুন্দরী এক মহিলা থানায় গিয়ে অভিযোগ করল, ওসি সাহেব, আমার স্বামী বাজারে গিয়ে আর ফিরে আসে নি।
**************************************************************
বিবাহ বিচ্ছেদের মামলায় স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই আদালতে হাজির। হাকিম মিটমাটের একটা প্রাথমিক চেষ্টা করলেন।
**************************************************************
ছেলেঃ মা, বাবা কি খুব লাজুক?
**************************************************************
মেয়েঃ দেখবে কাল ডাক্তার আমাকে কোথায় ইঞ্জেকশানটা দিয়েছিল?
**************************************************************
মেয়েঃ দেখবে কাল ডাক্তার আমাকে কোথায় ইঞ্জেকশানটা দিয়েছিল?
**************************************************************
এক কৃপণ ছেলের সাথে এক কৃপণমেয়ের প্রেম হয়ে গেল
**************************************************************
একবার দেবতা ঠিক করলেন,স্বর্গে সেসব পুরুষ ঢুকবে তাদের ২টা লাইন হবে|
**************************************************************
নোয়াখালীর এক লোক electronics এর দোকানে যেয়ে দোকানদারকে জিজ্ঞাস করলো ,
**************************************************************
এক লোক একটা অভিজাত রেষ্টুরেন্টে ঢুকে দেখল তিনটা দরজা
**************************************************************
ছেলেটা তিরিশ টাকা পকেটে ঢুকিয়ে অপর পকেট থেকে পাঁচ টাকার নোট বের করে তার গৃহ শিক্ষকের দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল, এই নিন বাকী টাকা। সবার কাছ থেকে যা নেই – আপনার কাছ থেকে বেশী নেব কেন।
**************************************************************
মনা পাগলা ভোরবেলায় রিকশায় চড়ে যাচ্ছে দেখে অন্য এক লোক তাকে ডেকে বলল, কি ভাই, ভোরবেলায় রিকশায় চড়ে কোথায় যাচ্ছেন?
মনা পাগলা : মর্নিং ওয়াকে।
লোক : তাহলে রিকশায় চড়ে যাচ্ছেন কেন?
মনা পাগলা : ভাই, ঘুম থেকে উঠতে লেট হয়ে গেছে, তাই রিকশায় চড়ে যাচ্ছি।
**************************************************************
দীর্ঘদিন চিকিৎসা করার পর তিন পাগলকে নিয়ে বসেছেন চিকিৎসক।
চিকিৎসক : বলো তো, ৩ কে ৩ দিয়ে গুণ করলে কত হয়?
প্রথম পাগল: ৩৯৮
হতাশ চিকিৎসক দ্বিতীয় জনকেও একই প্রশ্ন করলেন।
দ্বিতীয় পাগল: মঙ্গলবার
হতাশ হয়ে চিকিৎসক তৃতীয় জনকেও একই প্রশ্ন করলেন।
তৃতীয় পাগল: ৯
‘ভেরি গুড! এবার বলো তো, তুমি এটা কীভাবে বের করলে।’ খুশি হয়ে বললেন চিকিৎসক।
তৃতীয় পাগল: খুবই সহজ! ৩৯৮ থেকে মঙ্গলবার বিয়োগ করেছি!
**************************************************************
কুদ্দুস চাচা বাসে উঠে একাই একটা ডাবল সীট দখল করে বসেছেন।
কিছুক্ষণ পর একজন তরুনী এসে চাচার পাশে বসে পড়ল।
একটু পর মেয়েটি বলল
মেয়ে – চাচা একটু চাপবেন
চাঁচা – কই চাপমু
মেয়ে – একটু বামে চাপেন
চাঁচা - বাসের মইধ্যে কেমনে চাপি! লও দুই জনেই নাইমা একখান রিক্সা লই…
**************************************************************
ছোট মেয়ে তার মাকে বলছে-- জানো মা আপু না অন্ধকারেও দেখতে পায়।
মা -- কেমন করে বুঝলি?
ছোট মেয়ে-- প্রাইভেট টিউটরের কাছে পড়ার সময় যখন কারেন্ট চলে গেল তখন আপু না আমার স্যারকে বলছে এই তুমি আজ সেভ কর নাই ক্যান?
**************************************************************
একজন
মহিলা ২ সপ্তাহের জন্য ইটালি যাবেন কোম্পানি ট্রেনিং এ। তার স্বামী তাকে
এয়ারপোর্টে পৌছে দিলেন এবং তার শুভযাত্রা কামনা করলেন। তার স্ত্রী ধন্যবাদ
দিয়ে জিজ্ঞেস করলেন "তোমার জন্য কি আনব?"
উত্তরে তার স্বামী হেসে বললেন "একজন ইটালী মেয়ে"
স্ত্রী কিছু না বলে চলে গেলেন। ২ সপ্তাহ পরে তার স্বামী আসলেন তাকে রিসিভ করতে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন "যাত্রা কেমন হল?"
"চমৎকার। ধন্যবাদ" উত্তর দিলেন তার স্ত্রী।
"আমার উপহার এর কি হল?" জিজ্ঞেস করলেন স্বামী।
স্ত্রী বললেন"কোন উপহার?"
"ঐ যে আমি একটা ইটালীয়ান মেয়ে চেয়েছিলাম..." বললেন স্বামী
"ওহ, ঐটা...আমি যা পেরেছি করেছি...কিন্তু মেয়ে কিনা তা জানতে ৯ মাস অপেক্ষা করতে হবে।
**************************************************************
প্রচণ্ড অলস এক লোক বড়শিতে মাছ তুলে বসে আছে।
পাশ দিয়ে একজনকে যেতে দেখে কোমল স্বরে বললেন, ভাই মাছটা একটু খুলে দেবেন?
একটু বিরক্ত হয়েও মাছটা খুলে দিলেন লোকটি। তারপর বললেন, এত অলস আপনি! এক
কাজ করেন- একটা বিয়ে করেন। ছেলেপেলে হলে আপনাকে কাজে সাহায্য করতে পারবে।
উত্তর এলোঃ ভাই, আপনার জানাশোনা কোনো গর্ভবতী মেয়ে আছে?
**************************************************************
স্ত্রী: আমার সাথে ১০ বছর সময় কাটানো তোমার কাছে কি?
স্বামী: আরে সে ১ সেকেন্ড মনে হয়। চোখের পলকে কেটে গেল প্রিয়ে...
স্ত্রী: (খুশি হয়ে) আমার জন্য ১০,০০০ টাকা তোমার জন্য কি?
স্বামী: আরে সেত ১ টাকার মত। কোন ব্যাপারই না।
স্ত্রী: (ততধিক খুশি হয়ে)তা জানু আমাকে ১০,০০০ টাকা দিতে পারবে এখন?
স্বামী: (গম্ভির হয়ে) দাড়াও এক সেকেন্ড পরে দেই।
**************************************************************
দুই
লোক রাস্তায় দাঁড়িয়ে মারামারি করছে। আর একটা বাচ্চা দাঁড়িয়ে তা দেখছে। এক
পর্যায়ে পুলিশ বাচ্চাটিকে জিজ্ঞেস করল, তোমার বাবা কোনজন?
বাচ্চাটি উত্তর দিল, এটা ঠিক করার জন্যই তো ওরা মারামারি করছে।
**************************************************************
দুই ঘনিষ্ট বন্ধুর কথোপকথন।
প্রথম বন্ধুঃ আমার স্ত্রীর লিপস্টিকের স্বাদ অন্য মেয়েদের থেকে একদম অন্যরকম।
দ্বিতীয় বন্ধুঃ ঠিক বলেছিস, কেমন যেন কমলা কমলা স্বাদের!
**************************************************************
এক লোকের বাড়ি সার্চ করে জাল নোট পাওয়ার যন্ত্রপাতি পাওয়া গেল। তাকে গ্রেফতার করা হলো।
লোকটি পুলিশের উদ্দেশ্যে বলল, আমাকে গ্রেফতার করা হলো কেন? আমার কাছে তো জাল নোট পান নি।
পুলিশঃ তাতে কি! জাল নোট ছাপার যন্ত্রপাতি তো পেয়েছি।
সেই লোকঃ তাহলে আমাকে রেপ করার জন্য গ্রেফতার করুন।
পুলিশঃ কেন, আপনি কাউকে রেপ করেছেন?
সেই লোকঃ না, রেপ করার যন্ত্র তো আছে!
**************************************************************
কী রে, এই নতুন সাইকেল কোথায় পেলি?
একটা মেয়েকে চুমু খেলাম তাতেই…।
মানে?
মানে ওকে নিরিবিলিতে একটা চুমু খেতেই মেয়েটা বলল, আজ আমার সবকিছু নিতে পার। তখন আমি ওর সাইকেলটা নিয়ে চলে এলাম।
**************************************************************
স্ত্রীঃ প্রত্যেক দিন পাশের বাসার ছেলে-মেয়ে দুটিকে দেখি বিদায় নেবার সময় পরস্পরকে চুমু খায়, তুমি ওরকম কর না কেন?
স্বামীঃ তুমি তো মেয়েটির সাথে আমার পরিচয় করিয়ে দাও নি।
**************************************************************
দুই বন্ধুর আলাপচারিতা-
আচ্ছা তুই নাকি কামালের স্ত্রী’র সাথে পালিয়ে যাবার চিন্তা করেছিলি?
হ্যাঁ। সেদিন ওর স্ত্রীকে নিয়ে পালাবার জন্য ওর বাড়ি পর্যন্ত গিয়েছিলাম।
তাহলে পালালি না কেন!
আর বলিস না, বাড়িতে ঢোকার মুখেই কামালের সাথে দেখা। সে আমাকে দেখেই খুশিতে ডগমগ হয়ে বলল, দাঁড়া, তোদের ট্যাক্সি ডেকে দিচ্ছি।
**************************************************************
সুন্দরী এক মহিলা থানায় গিয়ে অভিযোগ করল, ওসি সাহেব, আমার স্বামী বাজারে গিয়ে আর ফিরে আসে নি।
ওসি সাহেবঃ আপনি নিশ্চিন্তে বাড়ি যান, আমি বাজার নিয়ে আসছি।
**************************************************************
বিবাহ বিচ্ছেদের মামলায় স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই আদালতে হাজির। হাকিম মিটমাটের একটা প্রাথমিক চেষ্টা করলেন।
প্রথমে স্বামীকে প্রশ্ন করলেন, আপনি কি জন্য বিবাহ বিচ্ছেদ চাচ্ছেন?
আমি চেয়েছিলাম ছেলের বাপ হতে, অথচ ও দুইবারই মেয়ে প্রসব করল।
স্ত্রী হুঙ্কার দিয়ে বলে উঠলেন- মরদের মুরোদ তো ঢের দেখেছি। তোমার ভরসায় থাকলে মেয়ে দু’টিও দুনিয়ার মুখ দেখত না।
**************************************************************ছেলের জড়তা কাটাতে মা তার ছেলেকে বললেন, যাও তো বাবু, তোমার নতুন গভর্নেসকে একটা চুমু দিয়ে আস। ছেলে গম্ভীর চেহারায় উত্তর দিল, হুঁ, আর বাবার মতো একটা চড় খাই আর কি!
**************************************************************
ছেলেঃ মা, বাবা কি খুব লাজুক?
মাঃ হ্যাঁ, উনি লাজুক না হলে তোমার বয়স আরো ছ'বছর বেশি হত।
**************************************************************
মেয়েঃ দেখবে কাল ডাক্তার আমাকে কোথায় ইঞ্জেকশানটা দিয়েছিল?
ছেলেঃ (অতি উৎসাহী) অবশ্যই! কোথায়?
মেয়েঃ ঐ যে ঐ হাসপাতালটায়।
**************************************************************
মেয়েঃ দেখবে কাল ডাক্তার আমাকে কোথায় ইঞ্জেকশানটা দিয়েছিল?
ছেলেঃ (অতি উৎসাহী) অবশ্যই! কোথায়?
মেয়েঃ ঐ যে ঐ হাসপাতালটায়।
**************************************************************
এক কৃপণ ছেলের সাথে এক কৃপণমেয়ের প্রেম হয়ে গেল
মেয়েঃযখন বাবা ঘুমিয়ে যাবেআমি রাস্তাতে একটা টাকার কয়েন ফেলব তুমি শব্দ শুনে ভিতরে চলে আসবা
কিন্তু ছেলে কয়েন ফেলার এক ঘণ্টা পর আসলো
মেয়েঃএত দেরি করলা কেন??
ছেলেঃ আরে আমি কয়েন টা খুজতাছিলাম
মেয়েঃ আরে পাগল আমি তো ওইটা সুতা বাইন্ধা ফেলছিলাম পরে আবার উঠাইয়া নিছি।
**************************************************************
একবার দেবতা ঠিক করলেন,স্বর্গে সেসব পুরুষ ঢুকবে তাদের ২টা লাইন হবে|
এক লাইনে ঢুকবে যারা পৃথিবীতে স্ত্রীদের দ্বারা অত্যাচারিত হয়েছে তারা|
আর আরেক লাইনে যারা হয়নি তারা ঢুকবে|
আর মহিলারা সরাসরি ঢুকবে|
প্রথম লাইনে দেখা গেলো মাইলের পর মাইল লম্বা লাইন|
আর দ্বিতীয় লাইনে দেখা গেলো মাত্র ১জন|
দেবতা দেখে বললেন প্রথম লাইনের পুরুষদের বললেন, ”তোমাদের লজ্জা পাওয়া উচিত!তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের দ্বারা অত্যাচারিত
হয়েছ;আর ওই লাইনে দেখ একজন পুরুষ সে বাঘের মত দাড়িয়ে আছে;আমি তার জন্য গর্বিত।
ব্যাটা, তুমি বল কিভাবে তুমি এই লাইনে দাঁড়াতে পারলে”
উত্তরে সেই পুরুষ জবাব দিল, “আমি জানি না;আমার স্ত্রী আমাকে এই
লাইনে দাঁড়াতে বলেছে;আমি দাঁড়িয়েছি
**************************************************************
নোয়াখালীর এক লোক electronics এর দোকানে যেয়ে দোকানদারকে জিজ্ঞাস করলো ,
: ভাই, এই টিভি টার দাম কত?
দোকানদার : আমি নোয়াখালীর লোকের কাছে টিভি বেচিনা ।
কিছুক্ষন পর সে অন্য জামা পরে ঐ দোকানে যেয়ে চিটাগাং এর ভাষায় বলল ,
: ভাই, এই টিভি টার দাম কত?
দোকানদার আবার বলল ,আমি নোয়াখালীর লোকের কাছে টিভি বেচিনা।
কিছুক্ষন পর লোকটা আবার বেশ বদল করে এবার সিলেটী ভাষায় একই কথা বললে
দোকানদার বেশ বিরক্তির সাথে আবার না করলে এবার লোকটি বেশ রাগের সাথে বলল ,
ঃ কেন? নোয়াখালীর লোকের কাছে টিভি বেচবেন না কেন?
“মাইক্রো ওভেন কে টিভি বলা একমাত্র নোয়াখালীর লোকের দ্বারাই সম্ভব” দোকানদারের জবাব ।
**************************************************************
এক লোক একটা অভিজাত রেষ্টুরেন্টে ঢুকে দেখল তিনটা দরজা
১ম দরজায় লিখা: চাইনিজ খাবার
২য় দরজায় লিখা: বাঙালী খাবার
৩য় দরজায় লিখা: ইংরেজ খাবার
লোকটি তার পছন্দ অনুযায়ী চাইনিজ খাবারের দরজায় ঢুকলে সেখানে আরো দুটি দরজা দেখতে পেলেন
১ম দরজায় লিখা: বাড়ি নিয়া খাইবেন
২য় দরজায় লিখা: হোটেলে খাইবেন
লোকটি হোটেলে খেতে চেয়েছিল তাই হোটেলে খাইবেন লিখা দরজায় ঢুকলে সেখানে আরো দুটি দরজা দেখতে পেলেন
১ম দরজায় লেখা: এসি
২য় দরজায় লেখা: নন এসি
লোকটি এসি রুমে খেতে চেয়েছিল তাই সে এসি লিখা দরজাটায় ঢুকলে সেখানে আরো দুটি দরজা দেখতে পেলেন
১ম দরজায় লিখা: ক্যাশ খাইবেন
২য় দরজায় লিখা: বাকি খাইবেন
লোকটি ভাবল বাকি খেলেই ভাল হয় তাই সে বাকি খাবেন দরজা টা খুলে বেরোতেই সে নিজকে রাস্তার মধ্যে পেল।
**************************************************************24 January 2012
Joke: Bangla
এক শহরে পরকীয়ার খুব চল। কমবেশী সবাই করছে। এরাই আবার চার্চে গিয়ে ফাদারের কাছে কনফেশন করে তারা কি করেছে। বৃদ্ধ ফাদার এইসব শুনতে শুনতে ক্লান্ত। এক রবিবারে তিনি সবাইকে বললেন আর কেউ যদি আমার কাছে পরকীয়ার কথা স্বীকার করে তবে এই শহর আমি ছাড়ছি। শহরের লোকজন আবার ফাদারকে খুবই পছন্দ করে। এরা ভাবল পরকীয়ার নতুন কোন শব্দ বা কোড ব্যবহার করতে হবে। শহরবাসী এরপর থেকে পরকীয়ার জন্য ব্যবহার করতে লাগল "আছাড়"।
" ফাদার! আমি আছাড় খাইছি এই সপ্তাহে......"
নতুন পদ্ধতি খুব ভালো কাজ করে। ফাদার কিছুই টের পাননা। একদিন বৃদ্ধ ফাদার মারা যান। তার জায়গায় নতুন আর অল্পবয়স্ক একজন ফাদার আসে। সে ত আছাড় খাওয়ার কথা শুনতে শুনতে অবাক। সে গেলো শহরের মেয়রের কাছে।
" মেয়র! আমাদের শহরের রাস্তাগুলো ঠিক করা দরকার। লোকজন প্রচুর আছাড় খাচ্ছে"
মেয়র বুঝলেন বেচারাকে কেউ আছাড়ের মানে বুঝিয়ে দেয় নাই। আর বেকুব ফাদারটা চলে এসেছে সরাসরি তার কাছে। তার হাসি চলে আসল।
ঠিক এমন সময় ফাদার বললেন, "আমি বুঝি না কেনো আপনি হাসছেন??? আপনার বউই ত এই সপ্তাহে তিনবার আছাড় খাইছে"
*************************************************************
স্ত্রীঃ আমি জানি আমি মারা গেলে তুমি সঙ্গে সঙ্গে বিয়ে করবে।
স্বামীঃ না অন্তত মাস খানেক বিশ্রাম নেব।
*************************************************************
স্বামী: তুমি কি ভেবেছো? আমি কি গাধা!!?
স্ত্রী: এতে ভাবাভাবির তো কিছু দেখি না!
*************************************************************
22 January 2012
More বাংলা JOKESss...
## ১ম চাপাবাজঃ আমি এত গরম চা খাই যে, কেতলি থেকে সোজা মুখে ঢেলে দেই!
২য় চাপাবাজঃ কি বলিস! আমি তো চা-পাতা, পানি, দুধ, চিনি মুখে দিয়ে চুলোয় বসে পড়ি!
## এক ডেপো ছোকরা একজন কন্যার পিতার কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন স্যার প্রেম জিনিসটা কেমন ?
কন্যার পিতাঃ প্রেম হলো স্বর্গীয় জিনিস, এর স্বাদ যে জীবনে পায়নি তাকে ঘৃনা করি।
ছোকরাঃ আমি আপনার মেয়েকে ভালোবাসি।
## আমেরিকার এক প্রেমিক তার প্রেমিকাকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ করলো। সময় মত মধ্যরাত্রিতে সে মই বেয়ে প্রেমিকার জানালা পর্যন্ত উঠলো। জানালার কাঁচে টোকা দিল প্রেমিক।
মেয়েটি ভয়ে ভয়ে জানালা খুললো। ছেলেটি জিজ্ঞেস করল, "তুমি তৈরী?" মেয়েটি বলল, হুশশশ! আমার ভয় করছে, বাবা যদি আমাদের ধরে ফেলেন।
ছেলেটি নির্বিকার ভাবে বলল, তাতে কি? তিনিতো নিচে আমার মই ধরে দাঁড়িয়ে আছেন।
## প্রেমিকাঃ তুমি আমার জন্য তাজা ফুল না এনে প্লাস্টিকের ফুল কেন এনেছ???
প্রেমিকঃতাজা ফুল বেশি সময় তাজা থাকে না | তোমার জন্য নিচে অপেহ্মা করতে করতেই ওই ফুল শুকিয়ে যায় |
## এক নিভৃত কক্ষে প্রেমিক প্রেমিকা। প্রেমিকা তনুশ্রী স্টাইলে জামাকাপড় সব খুলে, বিহ্বল কন্ঠে,
: আমার যা কিছু আছে সব তোমার।
প্রেমিক দারুন অবাক হয়ে,
: তোমার কি মাথা খারাপ? এই সালোয়ার-কামিজ দিয়ে আমি কি করব? আমি পুরুষমানুষ না?
## প্রেমিকাঃ তুমি কি আমায় ভালোবাস?
প্রেমিকঃ বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা করো?
প্রেমিকাঃ ধরো তোমার সার্টের পকেটে মাত্র বিশ টাকা আছে, তা থেকে আমি পনের টাকা চাইলাম, তুমি দিতে পারবে?
জরুরি টাকাটায় প্রেমিকা চোখ পরেছে দেখে, বিব্রত প্রেমিক নিজেকে সামলে নিয়ে বললো, কেনো পারবো না, একশবার পারবো | তবে পরীক্ষা তারিখটা একটু পিছানো যায় না |
## প্রেমিক : তোমার প্রেমে পড়ার পর থেকে আমি কিছুই খেতে পারছি না। পরতে পারছি না ,কিছুই করতে পারছি না।
প্রেমিকা : তুমি আমাকে এতই ভালোবাস?
প্রেমিক : না তা নয়। আসলে তোমার পেছনে খরচ করে আমি দেউলিয়া হয়ে গেছি।
## ১টি ছেলে ও ১টি মেয়ের মাঝে গভীর প্রেম ছিল। ছেলেটি একবার হাত কেটে রক্ত দিয়ে মেয়েটিকে চিঠি লিখেছিল। কিছুদিন পর তাদের ভালবাসা নষ্ট হল। তো যার কাছে যার দেনা পাওনা ছিল মিটিয়ে নিচ্ছিল।
সব শেষে ছেলেটি বললো আমার রক্ত ফেরত দে, মেয়েটি সাথে সাথে তার সালোয়ারের নিচ থেকে ১টা ন্যাপকিন বের করে ছেলেটির হাতে দিয়ে বললো নে শালা তোর রক্ত কিস্তিতে শোধ দেব!
## এক পোস্টমাস্টার গেছে দাওয়াত খাইতে, কিন্তু ভুলে বেচারা প্যান্টের চেইন লাগায় নাই
পার্টিতে এক লোকের তা দেইখা তো আক্কেল গুড়ুম। সরাসরি তো আর বলা যায়না যে চেইন খোলা। তাই সে কায়দা কইরা বলল, ভাই, আপনার পোস্টঅফিস তো খোলা।
কিন্তু পোস্টমাস্টার ইংগিতটা বুঝলো না, সে কয়- না না , পোস্টঅফিসে আমি নিজের হাতে তালা মাইরা আইছি। খোলা না, বন্ধই আছে।
তো ঐ লোক যতই বোঝায়, পোস্টমাস্টার বুঝে না, কয় বন্ধ, বন্ধ, নিশ্চয়ই বন্ধ।
তো লোকটা হাল ছাইড়া দিয়া চইলা গেলো। পরে পোস্টমাস্টার বাসায় ফিরা দেখে তার চেইন খোলা। সাথে সাথে সে সব বুঝলো, বুইঝা তো পাইলো ব্যাপক শরম। কিছুক্ষণ ঝিম মাইরা থাইকা ফোন করলো ঐ লোকটারে।
ফোন কইরা কয়- ভাই, এইবার আমি বুঝছি আপনি কি বুঝাইতে চাইছিলেন। তা ভাই যখন খোলা আছিলো, তখন কি পোস্টমাস্টার ভিতরে ছিলো নাকি বাইরে?
## অলস এক লোক বড়শিতে মাছ তুলে বসে আছে।
পাশ দিয়ে একজনকে যেতে দেখে কোমল স্বরে বললেন, ভাই মাছটা একটু খুলে দেবেন?
একটু বিরক্ত হয়েও মাছটা খুলে দিলেন লোকটি। তারপর বললেন, এত অলস আপনি ! এক কাজ করেন- একটা বিয়ে করেন। ছেলেপেলে হলে আপনাকে কাজে সাহায্য করতে পারবে।
উত্তর এলোঃ ভাই, আপনার জানাশোনা কোনো গর্ভবতী মেয়ে আছে?
## রঙ্গীলা ভাইয়ের পাশের বাসায় মধ্য বয়সী স্বামী আর তার অনিন্দ্য সুন্দরী তরুনী স্ত্রী কথা বলছেন।
স্ত্রী: তুমি ভালবাসতে জানোনা।
স্বামী (রাগত স্বরে): আমি ভালোবাসতে জানিনা!! তুমি এতদিন পরে বলছো আমি ভালোবাসতে জানিনা!! তবে আমাদের তিন বাচ্চাকে কি ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করেছ?
স্ত্রী: ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করবো কেন? পাশের বাসার সূজা ভাইয়ের পেনড্রাইভ থেকে নিয়েছি।
## শিক্ষক : চরিত্র বানতে চাও তো এখন থেকে সমস্ত মহিলাদের মা বলে ডাকা শুরু কর।
ছাত্র : তাতে আমার চরিত্র তো ঠিক থাকবে কিন্তু আমার বাবার চরিত্র ??
## স্ত্রী তার চাকুরিজীবি স্বামীর জন্য একটা ক্যালেন্ডার নিয়ে এল,এইটা দেখে স্বামী মুখ ভার করে বলল,
:এই ক্যালেন্ডার আমি নিব না।
স্ত্রী উত্তর দিল,
: কেন? তোমার পছন্দ হয়নি?
স্বামী জবাব দিল,
: যে ক্যলেন্ডারে ছুটি বেশি থাকে,আমি সেই ক্যালেন্ডারটাই নিব।
## ডাক্তার : আপনার রোগীর কেমন উন্নতি হচ্ছে?
নার্স : বড্ড স্লো! এতদিনেও আপনি থেকে তুমিতে নামতে পারেনি।
## দুই বান্ধবী গল্প করছে।
প্রথমজন : আর পারি না। বুঝেছিস! আমার স্বামী সব সময় তাঁর আগের বউয়ের কথা বলতে থাকে।
দ্বিতীয়জন : তাও ভালো! আমার স্বামী তো ভবিষ্যতে তার বউ যে হবে, তাকে নিয়ে কথা বলে।
২য় চাপাবাজঃ কি বলিস! আমি তো চা-পাতা, পানি, দুধ, চিনি মুখে দিয়ে চুলোয় বসে পড়ি!
## এক ডেপো ছোকরা একজন কন্যার পিতার কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন স্যার প্রেম জিনিসটা কেমন ?
কন্যার পিতাঃ প্রেম হলো স্বর্গীয় জিনিস, এর স্বাদ যে জীবনে পায়নি তাকে ঘৃনা করি।
ছোকরাঃ আমি আপনার মেয়েকে ভালোবাসি।
## আমেরিকার এক প্রেমিক তার প্রেমিকাকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ করলো। সময় মত মধ্যরাত্রিতে সে মই বেয়ে প্রেমিকার জানালা পর্যন্ত উঠলো। জানালার কাঁচে টোকা দিল প্রেমিক।
মেয়েটি ভয়ে ভয়ে জানালা খুললো। ছেলেটি জিজ্ঞেস করল, "তুমি তৈরী?" মেয়েটি বলল, হুশশশ! আমার ভয় করছে, বাবা যদি আমাদের ধরে ফেলেন।
ছেলেটি নির্বিকার ভাবে বলল, তাতে কি? তিনিতো নিচে আমার মই ধরে দাঁড়িয়ে আছেন।
## প্রেমিকাঃ তুমি আমার জন্য তাজা ফুল না এনে প্লাস্টিকের ফুল কেন এনেছ???
প্রেমিকঃতাজা ফুল বেশি সময় তাজা থাকে না | তোমার জন্য নিচে অপেহ্মা করতে করতেই ওই ফুল শুকিয়ে যায় |
## এক নিভৃত কক্ষে প্রেমিক প্রেমিকা। প্রেমিকা তনুশ্রী স্টাইলে জামাকাপড় সব খুলে, বিহ্বল কন্ঠে,
: আমার যা কিছু আছে সব তোমার।
প্রেমিক দারুন অবাক হয়ে,
: তোমার কি মাথা খারাপ? এই সালোয়ার-কামিজ দিয়ে আমি কি করব? আমি পুরুষমানুষ না?
## প্রেমিকাঃ তুমি কি আমায় ভালোবাস?
প্রেমিকঃ বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা করো?
প্রেমিকাঃ ধরো তোমার সার্টের পকেটে মাত্র বিশ টাকা আছে, তা থেকে আমি পনের টাকা চাইলাম, তুমি দিতে পারবে?
জরুরি টাকাটায় প্রেমিকা চোখ পরেছে দেখে, বিব্রত প্রেমিক নিজেকে সামলে নিয়ে বললো, কেনো পারবো না, একশবার পারবো | তবে পরীক্ষা তারিখটা একটু পিছানো যায় না |
## প্রেমিক : তোমার প্রেমে পড়ার পর থেকে আমি কিছুই খেতে পারছি না। পরতে পারছি না ,কিছুই করতে পারছি না।
প্রেমিকা : তুমি আমাকে এতই ভালোবাস?
প্রেমিক : না তা নয়। আসলে তোমার পেছনে খরচ করে আমি দেউলিয়া হয়ে গেছি।
## ১টি ছেলে ও ১টি মেয়ের মাঝে গভীর প্রেম ছিল। ছেলেটি একবার হাত কেটে রক্ত দিয়ে মেয়েটিকে চিঠি লিখেছিল। কিছুদিন পর তাদের ভালবাসা নষ্ট হল। তো যার কাছে যার দেনা পাওনা ছিল মিটিয়ে নিচ্ছিল।
সব শেষে ছেলেটি বললো আমার রক্ত ফেরত দে, মেয়েটি সাথে সাথে তার সালোয়ারের নিচ থেকে ১টা ন্যাপকিন বের করে ছেলেটির হাতে দিয়ে বললো নে শালা তোর রক্ত কিস্তিতে শোধ দেব!
## এক পোস্টমাস্টার গেছে দাওয়াত খাইতে, কিন্তু ভুলে বেচারা প্যান্টের চেইন লাগায় নাই
পার্টিতে এক লোকের তা দেইখা তো আক্কেল গুড়ুম। সরাসরি তো আর বলা যায়না যে চেইন খোলা। তাই সে কায়দা কইরা বলল, ভাই, আপনার পোস্টঅফিস তো খোলা।
কিন্তু পোস্টমাস্টার ইংগিতটা বুঝলো না, সে কয়- না না , পোস্টঅফিসে আমি নিজের হাতে তালা মাইরা আইছি। খোলা না, বন্ধই আছে।
তো ঐ লোক যতই বোঝায়, পোস্টমাস্টার বুঝে না, কয় বন্ধ, বন্ধ, নিশ্চয়ই বন্ধ।
তো লোকটা হাল ছাইড়া দিয়া চইলা গেলো। পরে পোস্টমাস্টার বাসায় ফিরা দেখে তার চেইন খোলা। সাথে সাথে সে সব বুঝলো, বুইঝা তো পাইলো ব্যাপক শরম। কিছুক্ষণ ঝিম মাইরা থাইকা ফোন করলো ঐ লোকটারে।
ফোন কইরা কয়- ভাই, এইবার আমি বুঝছি আপনি কি বুঝাইতে চাইছিলেন। তা ভাই যখন খোলা আছিলো, তখন কি পোস্টমাস্টার ভিতরে ছিলো নাকি বাইরে?
## অলস এক লোক বড়শিতে মাছ তুলে বসে আছে।
পাশ দিয়ে একজনকে যেতে দেখে কোমল স্বরে বললেন, ভাই মাছটা একটু খুলে দেবেন?
একটু বিরক্ত হয়েও মাছটা খুলে দিলেন লোকটি। তারপর বললেন, এত অলস আপনি ! এক কাজ করেন- একটা বিয়ে করেন। ছেলেপেলে হলে আপনাকে কাজে সাহায্য করতে পারবে।
উত্তর এলোঃ ভাই, আপনার জানাশোনা কোনো গর্ভবতী মেয়ে আছে?
## রঙ্গীলা ভাইয়ের পাশের বাসায় মধ্য বয়সী স্বামী আর তার অনিন্দ্য সুন্দরী তরুনী স্ত্রী কথা বলছেন।
স্ত্রী: তুমি ভালবাসতে জানোনা।
স্বামী (রাগত স্বরে): আমি ভালোবাসতে জানিনা!! তুমি এতদিন পরে বলছো আমি ভালোবাসতে জানিনা!! তবে আমাদের তিন বাচ্চাকে কি ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করেছ?
স্ত্রী: ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করবো কেন? পাশের বাসার সূজা ভাইয়ের পেনড্রাইভ থেকে নিয়েছি।
## শিক্ষক : চরিত্র বানতে চাও তো এখন থেকে সমস্ত মহিলাদের মা বলে ডাকা শুরু কর।
ছাত্র : তাতে আমার চরিত্র তো ঠিক থাকবে কিন্তু আমার বাবার চরিত্র ??
## স্ত্রী তার চাকুরিজীবি স্বামীর জন্য একটা ক্যালেন্ডার নিয়ে এল,এইটা দেখে স্বামী মুখ ভার করে বলল,
:এই ক্যালেন্ডার আমি নিব না।
স্ত্রী উত্তর দিল,
: কেন? তোমার পছন্দ হয়নি?
স্বামী জবাব দিল,
: যে ক্যলেন্ডারে ছুটি বেশি থাকে,আমি সেই ক্যালেন্ডারটাই নিব।
## ডাক্তার : আপনার রোগীর কেমন উন্নতি হচ্ছে?
নার্স : বড্ড স্লো! এতদিনেও আপনি থেকে তুমিতে নামতে পারেনি।
## দুই বান্ধবী গল্প করছে।
প্রথমজন : আর পারি না। বুঝেছিস! আমার স্বামী সব সময় তাঁর আগের বউয়ের কথা বলতে থাকে।
দ্বিতীয়জন : তাও ভালো! আমার স্বামী তো ভবিষ্যতে তার বউ যে হবে, তাকে নিয়ে কথা বলে।
Joke$$
## দাদা আর নাতি ডাইনিং টেবিলে বসে গল্প করছে
দাদা : তোরা কি খাস … খাওয়াদাওয়া করেছি আমরা … হাতি খেয়ে হজম করতে পারতাম।
নাতি : তখন বাথরুম করতে কোথায় ?
## মহিলা শিক্ষক ইংরেজি ক্লাস নিচ্ছেন।
মহিলা শিক্ষকঃ সবাই HAND দিয়ে একটা sentence লিখ।
বল্টু মিয়াঃ My penis in your hand.
মহিলা শিক্ষকঃ এক থাপ্পর দিয়ে দাত ফেলে দিবো। এটা কি লিখছো?
বল্টু মিয়াঃ সরি ম্যাডাম, pen আর is এর মাঝে space দিতে ভুলে গেছি।
## হোস্টেলে থাকা এক ছাত্রের টাকা চেয়ে বাবার কাছে পত্র—‘বাবা,
টাকা নাই!
কী খাই?
ইতি—তোমার ছেলে নিতাই।’
ছেলের চিঠির জবাবে বাবা—‘টাকা সাফ,
করো মাফ।
ইতি—তোমার গরিব বাপ’
## প্রেমিকার বাড়িতে বেড়াতে এসে প্রেমিক দেখে বাড়ি খালি, শুধু প্রেমিকার ছোট ভাই আছে। তার হাতে বিশ টাকা দিয়ে বলল, যাও সিনেমা দেখে আস।
মাত্র বিশ টাকা? অন্যরা তো পঞ্চাশ টাকার নিচে দেয় না।
## ভাইভা পরীক্ষায়,
শিক্ষকঃ এমন একটা জিনিসের নাম বল যা ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত।
ছাত্রঃ চুল।
শিক্ষকঃ যেমন?
ছাত্রঃ মাথায় থাকলে চুল, চোখের উপরে ভ্রু, ঠোঁটের উপরে গোফ, গালে দাড়ি, বুকে লোম...
শিক্ষকঃ ব্যস ব্যস। তুমি পাস !!
## ঢাকাইয়ারা কথায় কথায় হালা মানে শালা বলে
মা তার দুই ছেলেকে নিয়ে বাজারে গেছে, মা এটা দেখে সেটা দেখে কিন্তু কিছু কিনছে না...
ছোট ছেলে - মা হালারে নিয়া বাজারে আইলেই হালার ঝামেলা, হালায় এইডা দেহে হেইডা দেহে মাগার কিছুই হালায় কিনেনা।
বড় ছেলে - ধুর হালার ঘরের হালা মায়েরে কেউ হালা কয়? হালায় মুরুব্বী না?
মা - হালার এমুন পোলা জন্ম দিলাম কুন আদব লেহাজ নাইক্কা, তোগো বাপে হালায় আইজকা আসুক বিচার দিয়া সব হালার পিঠের চামড়া খোয়ামু...
## কুদ্দুস চাচা গিয়েছে কোলকাতা। ট্রামে উঠেছে। এক বখাটে ছেলে চাচার ভুড়ি দেখিয়ে বলল
দাদা, ড্রামটা কত দিয়ে কিনলেন?
চাচা - ছত্তুর ট্যাকা (৭০)
ছেলে - এতো কম!
চাচা লুঙ্গী তুলে পাছার ফুটো দেখিয়ে বলল - নীচে হালায় ফুটা আছে তো তাই।
ছেলে - তাহলে তো দাম একটু বেশিই মনে হচ্ছে...
চাচা ধোন বের করে বললেন - হালার পুত লগে যে একখান ট্যাপ লাগাইনা আছে হেইডা দেখব তুমার কোন বাপে? হেইডার কুনো দাম নাইক্কা?
## কুদ্দুস চাচা বাসে উঠে একাই একটা ডাবল সীট দখল করে বসেছেন।
কিছুক্ষণ পর একজন তরুনী এসে চাচার পাশে বসে পড়ল।
একটু পর মেয়েটি বলল
ঃ চাচা একটু চাপবেন
ঃ কই চাপমু
ঃ একটু বামে চাপেন
ঃ বাসের মইধ্যে কেমনে চাপি! লও দুই জনেই নাইমা একখান রিক্সা লই...
## স্বামীর মৃত্যুর কয়দিন পরেই এক মহিলা তার দেবরকে বিয়ে করে ফেললেন।
তার বান্ধবীদের অনেকেই ব্যাপারটা মনঃক্ষুন্ন হল।
একদিন মহিলার বাড়িতে বাড়িতে এসে তার বান্ধবীরা লক্ষ করল, শোবার ঘরের দেওয়ালে তার মৃত স্বামীর বিশাল একটা ছবি টানানো।
সবাই খুব খুশি হল ছবি দেখে।
কিন্তু এদের মধ্যে একজন ছিল নতুন।সে মহিলার স্বামীকে চিনত না।
ছবি দেখে তাই জানতে চাইল, ছবিটা কার?
মহিলা বললেন, আমার ভাশুরের। কয়েকদিন আগে মারা গেছেন!
## ক্লাসে পড়ানোর সময় শিক্ষক এক ছাত্রী কে জিঞ্জাস করছে শিক্ষক:খেজুর এবং হুজুর এর মধ্যে উচ্চারণ গত মিল থাকলেও এদের ভিতর পার্থক্য কি??
ছাত্রী :স্যার কইতে শরম লাগছে....!!
শিক্ষক :ঞ্জান অর্জনে লজ্জা কিসের ??
ছাত্রী :না.....!! মানে... স্যার খেজুরের ১ টা বিচি আর হুজুরের ২ টা বিচি...
## স্বামীর খুব অসুখ। ১ দিন তিনি আর তার বউ ডাক্তরের কাছে গেছে। (ডাক্তার আর বউ)
ডাক্তারঃ আপনার স্বামির তো লো পেশার। তাকে বেশি বেশি দুধ খাওয়াবেন।
বউঃ ভাই ওতো খায়না, শুধু টেপে।
## ছোট্ট জনি আর জেনি দু'জনের বয়সই ১০ বছর, কিন্তু তারা জানে তারা একে অপরকে ভালোবাসে। একদিন তারা বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিলো। জনি জেনির বাবার কাছে গেলো বিয়ের কথা বলতে।
সাহসের সাথে জনি জেনির বাবার কাছে গিয়ে বললো, মি. স্মিথ, আমি আর জেনি পরস্পরকে ভালোবাসি। এজন্য আপনার কাছে জেনিকে বিয়ে করার অনুমতি চাইতে এসেছি।
মি. স্মিথ বাচ্চার মুখে এমন কথা শুনে মজা পেলেন। বললেন, জনি, তোমার বয়স তো মাত্র ১০ বছর। তোমরা দু'জন কোথায় থাকবে?
জনি কোন রকম চিন্তা না করেই বললো, জেনির রুমে থাকবো। আমার রুমের চেয়ে ওরটা বড়। দু'জনের বেশ জায়গা হয়ে যাবে।
মি. স্মিথ তার কথায় আরো মজা পেলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি তো অনেক ছোট। কোন কাজই তো করতে পারবে না। তাহলে জেনিকে খাওয়াবে কি?
জনি কোনরকম দ্বিধা না করে উত্তর দিলো, আমি প্রতি সপ্তাহে ১০ ডলার হাতখরচ পাই, জেনিও ৫ ডলার পায়। মাসে ৬০ ডলারে দু'জনের বেশ ভালোভাবেই চলে যাবে।
এবার মি. স্মিথ একটু অবাক হলেন। কারণ জনি সব উত্তর আগে থেকেই ভেবে রেখেছে। তাই তিনি এবার এমন প্রশ্ন করলেন যেটার উত্তর তৈরি করে রাখা জনির পক্ষে সম্ভব না।
মি. স্মিথ জানতে চাইলেন, তুমি তো সব বিষয়েই চিন্তা করে রেখেছো। আরেকটা উত্তর দাও তো। যদি তোমাদের ঘরে কোন বাচ্চা জন্ম নেয়, তোমরা তখন কি করবে?
জনি শ্রাগ করে বললো, এখন পর্যন্ত আমরা ভাগ্যবান যে এমন কিছুই হয়নি...
## স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে—
স্ত্রী: শোনো, তোমার বন্ধু যে মেয়েটিকে বিয়ে করতে যাচ্ছে ওই মেয়ে কিন্তু অতোটা ভালো নয়।
স্বামী: এতে আমার সমস্যাটা কী?
স্ত্রী: আরে, জেনেশুনে তোমার বন্ধু খারাপ মেয়েকে বিয়ে করবে! তুমি তাকে নিষেধ করছো না কেন?
স্বামী: আমি কেন তাকে নিষেধ করবো! আমি যখন বিয়ে করি তখন তো সে আমাকে নিষেধ করে নি।
## স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রচণ্ড ঝগড়া চলাকালে হঠাৎ করেই স্ত্রী ঠাস করে এক থাপ্পড় মেরে বসল স্বামীর গালে।
স্বামী : চড় মারলে তুমি! বলো, থাপ্পড়টা ইয়ার্কি করে না সিরিয়াসলি মারলে?
স্ত্রী : কেন, সিরিয়াসলিই মেরেছি।
স্বামী : হু, আজ বেঁচে গেলে। কারণ ইয়ার্কি আমি একদম পছন্দ করি না।
## বাইরে থেকে দরজা নক করছে।
ভেতর থেকে : কে?
বাইরে থেকে : আমি।
ভেতর থেকে : আমি কে?
বাইরে থেকে : আরে, আপনি কে তা আমি কী করে জানবো!!
## এক দিন এক রোগী ডাক্তারের কাছে গিয়ে বলল, ডাক্তার সাব, আমার একটা অদ্ভুদ রোগ হয়েছে।
ডাক্তার বললেন, কি রকম ?
রোগী বলল, আমি অল্পতেই রেগে যাই। গালাগালি করি
ডাক্তার বলল, ব্যাপারটা একটু খুলে বলুন তো।
রোগী বলল, হারামজাদা, কয়বার খুলে বলব!
## একদিন এক ব্যাঙ ভাগ্য পরীক্ষা করার জন্য জোতিষীর কাছে গেলো।
জোতিষী তাকে বললো : খুব শীঘ্রই এক সুন্দরী মেয়ের সাথে তোমার দেখা হবে। মেয়েটি তোমার সম্পর্কে সবকিছু জানে।
ব্যাঙ: চমৎকার! তার সঙ্গে আমার কোথায় দেখা হবে? পার্টিতে নাকি অন্য কোথাও?
জোতিষী : না! মেয়েটির বায়োলজি ক্লাশে!
## জনি একটা কুকুরের লেজ ধরে পাইপে ঢুকনোর চেষ্টা করছে। অনেক্ষণ ধরে ব্যাপারটা লক্ষ্য করছিলেন পাশে দাঁড়ানো এক ভদ্রলোক। এক পর্যায়ে তিনি এগিয়ে এসে বললেন, এই যে ছেলে, তুমি যতই চেষ্টা করো না কেন, কুকুরের লেজ কখনো সোজা করতে পারবে না।
জনির জবাব, না আঙ্কেল আমি তো কুকুরের লেজ সোজা করছি না। এই পাইপটা বাঁকানোর চেষ্টা করছি।
## শিক্ষকঃ বল ফোর্ড কি?
ছাত্রঃ গাড়ী স্যার।
শিক্ষকঃ তাহলে বল, অক্সফোর্ড কি?
ছাত্রঃ উঁম...ঊঁম...গরুর গাড়ী স্যার।
## রাতের অন্ধকারে কী একটা শব্দ শুনে সীমান্তরক্ষী তাঁর কুকুরকে বললেন, যাও তো, গিয়ে দেখে এসো, কী হচ্ছে ওখানে।
গরজ থাকলে নিজেই যান, বস, কুকুর বলল। আমার কাজ তো ঘেউ ঘেউ করা। সেটা আমি এখান থেকেই করতে পারব।
## বুয়াঃ খালাম্মা, দুধের পাতিলে একটা ইঁন্দুর পড়ছে।
গৃহিণীঃ কী! তাড়াতাড়ি ইঁদুরটা সরা।
বুয়াঃ (হেসে) ইঁন্দুর সরানোর ব্যবস্থা কইরাই আফনেরে বলছি। পাতিলের ভিতরে একখান বিলাই রাইখা আসছি!
## বাড়ীর কর্তা(নতুন কাজের লোক কে): ঠিক আছে তুমি আজ থেকে কাজে লেগে যাও। প্রতিদিন ২০ টাকা করে পাবে । চার মাস পর থেকে ৪০ টাকা করে পাবে।
কাজের লোক: আমি তাহলে চার মাস পরেই আসবো।
দাদা : তোরা কি খাস … খাওয়াদাওয়া করেছি আমরা … হাতি খেয়ে হজম করতে পারতাম।
নাতি : তখন বাথরুম করতে কোথায় ?
## মহিলা শিক্ষক ইংরেজি ক্লাস নিচ্ছেন।
মহিলা শিক্ষকঃ সবাই HAND দিয়ে একটা sentence লিখ।
বল্টু মিয়াঃ My penis in your hand.
মহিলা শিক্ষকঃ এক থাপ্পর দিয়ে দাত ফেলে দিবো। এটা কি লিখছো?
বল্টু মিয়াঃ সরি ম্যাডাম, pen আর is এর মাঝে space দিতে ভুলে গেছি।
## হোস্টেলে থাকা এক ছাত্রের টাকা চেয়ে বাবার কাছে পত্র—‘বাবা,
টাকা নাই!
কী খাই?
ইতি—তোমার ছেলে নিতাই।’
ছেলের চিঠির জবাবে বাবা—‘টাকা সাফ,
করো মাফ।
ইতি—তোমার গরিব বাপ’
## প্রেমিকার বাড়িতে বেড়াতে এসে প্রেমিক দেখে বাড়ি খালি, শুধু প্রেমিকার ছোট ভাই আছে। তার হাতে বিশ টাকা দিয়ে বলল, যাও সিনেমা দেখে আস।
মাত্র বিশ টাকা? অন্যরা তো পঞ্চাশ টাকার নিচে দেয় না।
## ভাইভা পরীক্ষায়,
শিক্ষকঃ এমন একটা জিনিসের নাম বল যা ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত।
ছাত্রঃ চুল।
শিক্ষকঃ যেমন?
ছাত্রঃ মাথায় থাকলে চুল, চোখের উপরে ভ্রু, ঠোঁটের উপরে গোফ, গালে দাড়ি, বুকে লোম...
শিক্ষকঃ ব্যস ব্যস। তুমি পাস !!
## ঢাকাইয়ারা কথায় কথায় হালা মানে শালা বলে
মা তার দুই ছেলেকে নিয়ে বাজারে গেছে, মা এটা দেখে সেটা দেখে কিন্তু কিছু কিনছে না...
ছোট ছেলে - মা হালারে নিয়া বাজারে আইলেই হালার ঝামেলা, হালায় এইডা দেহে হেইডা দেহে মাগার কিছুই হালায় কিনেনা।
বড় ছেলে - ধুর হালার ঘরের হালা মায়েরে কেউ হালা কয়? হালায় মুরুব্বী না?
মা - হালার এমুন পোলা জন্ম দিলাম কুন আদব লেহাজ নাইক্কা, তোগো বাপে হালায় আইজকা আসুক বিচার দিয়া সব হালার পিঠের চামড়া খোয়ামু...
## কুদ্দুস চাচা গিয়েছে কোলকাতা। ট্রামে উঠেছে। এক বখাটে ছেলে চাচার ভুড়ি দেখিয়ে বলল
দাদা, ড্রামটা কত দিয়ে কিনলেন?
চাচা - ছত্তুর ট্যাকা (৭০)
ছেলে - এতো কম!
চাচা লুঙ্গী তুলে পাছার ফুটো দেখিয়ে বলল - নীচে হালায় ফুটা আছে তো তাই।
ছেলে - তাহলে তো দাম একটু বেশিই মনে হচ্ছে...
চাচা ধোন বের করে বললেন - হালার পুত লগে যে একখান ট্যাপ লাগাইনা আছে হেইডা দেখব তুমার কোন বাপে? হেইডার কুনো দাম নাইক্কা?
## কুদ্দুস চাচা বাসে উঠে একাই একটা ডাবল সীট দখল করে বসেছেন।
কিছুক্ষণ পর একজন তরুনী এসে চাচার পাশে বসে পড়ল।
একটু পর মেয়েটি বলল
ঃ চাচা একটু চাপবেন
ঃ কই চাপমু
ঃ একটু বামে চাপেন
ঃ বাসের মইধ্যে কেমনে চাপি! লও দুই জনেই নাইমা একখান রিক্সা লই...
## স্বামীর মৃত্যুর কয়দিন পরেই এক মহিলা তার দেবরকে বিয়ে করে ফেললেন।
তার বান্ধবীদের অনেকেই ব্যাপারটা মনঃক্ষুন্ন হল।
একদিন মহিলার বাড়িতে বাড়িতে এসে তার বান্ধবীরা লক্ষ করল, শোবার ঘরের দেওয়ালে তার মৃত স্বামীর বিশাল একটা ছবি টানানো।
সবাই খুব খুশি হল ছবি দেখে।
কিন্তু এদের মধ্যে একজন ছিল নতুন।সে মহিলার স্বামীকে চিনত না।
ছবি দেখে তাই জানতে চাইল, ছবিটা কার?
মহিলা বললেন, আমার ভাশুরের। কয়েকদিন আগে মারা গেছেন!
## ক্লাসে পড়ানোর সময় শিক্ষক এক ছাত্রী কে জিঞ্জাস করছে শিক্ষক:খেজুর এবং হুজুর এর মধ্যে উচ্চারণ গত মিল থাকলেও এদের ভিতর পার্থক্য কি??
ছাত্রী :স্যার কইতে শরম লাগছে....!!
শিক্ষক :ঞ্জান অর্জনে লজ্জা কিসের ??
ছাত্রী :না.....!! মানে... স্যার খেজুরের ১ টা বিচি আর হুজুরের ২ টা বিচি...
## স্বামীর খুব অসুখ। ১ দিন তিনি আর তার বউ ডাক্তরের কাছে গেছে। (ডাক্তার আর বউ)
ডাক্তারঃ আপনার স্বামির তো লো পেশার। তাকে বেশি বেশি দুধ খাওয়াবেন।
বউঃ ভাই ওতো খায়না, শুধু টেপে।
## ছোট্ট জনি আর জেনি দু'জনের বয়সই ১০ বছর, কিন্তু তারা জানে তারা একে অপরকে ভালোবাসে। একদিন তারা বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিলো। জনি জেনির বাবার কাছে গেলো বিয়ের কথা বলতে।
সাহসের সাথে জনি জেনির বাবার কাছে গিয়ে বললো, মি. স্মিথ, আমি আর জেনি পরস্পরকে ভালোবাসি। এজন্য আপনার কাছে জেনিকে বিয়ে করার অনুমতি চাইতে এসেছি।
মি. স্মিথ বাচ্চার মুখে এমন কথা শুনে মজা পেলেন। বললেন, জনি, তোমার বয়স তো মাত্র ১০ বছর। তোমরা দু'জন কোথায় থাকবে?
জনি কোন রকম চিন্তা না করেই বললো, জেনির রুমে থাকবো। আমার রুমের চেয়ে ওরটা বড়। দু'জনের বেশ জায়গা হয়ে যাবে।
মি. স্মিথ তার কথায় আরো মজা পেলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি তো অনেক ছোট। কোন কাজই তো করতে পারবে না। তাহলে জেনিকে খাওয়াবে কি?
জনি কোনরকম দ্বিধা না করে উত্তর দিলো, আমি প্রতি সপ্তাহে ১০ ডলার হাতখরচ পাই, জেনিও ৫ ডলার পায়। মাসে ৬০ ডলারে দু'জনের বেশ ভালোভাবেই চলে যাবে।
এবার মি. স্মিথ একটু অবাক হলেন। কারণ জনি সব উত্তর আগে থেকেই ভেবে রেখেছে। তাই তিনি এবার এমন প্রশ্ন করলেন যেটার উত্তর তৈরি করে রাখা জনির পক্ষে সম্ভব না।
মি. স্মিথ জানতে চাইলেন, তুমি তো সব বিষয়েই চিন্তা করে রেখেছো। আরেকটা উত্তর দাও তো। যদি তোমাদের ঘরে কোন বাচ্চা জন্ম নেয়, তোমরা তখন কি করবে?
জনি শ্রাগ করে বললো, এখন পর্যন্ত আমরা ভাগ্যবান যে এমন কিছুই হয়নি...
## স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে—
স্ত্রী: শোনো, তোমার বন্ধু যে মেয়েটিকে বিয়ে করতে যাচ্ছে ওই মেয়ে কিন্তু অতোটা ভালো নয়।
স্বামী: এতে আমার সমস্যাটা কী?
স্ত্রী: আরে, জেনেশুনে তোমার বন্ধু খারাপ মেয়েকে বিয়ে করবে! তুমি তাকে নিষেধ করছো না কেন?
স্বামী: আমি কেন তাকে নিষেধ করবো! আমি যখন বিয়ে করি তখন তো সে আমাকে নিষেধ করে নি।
## স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রচণ্ড ঝগড়া চলাকালে হঠাৎ করেই স্ত্রী ঠাস করে এক থাপ্পড় মেরে বসল স্বামীর গালে।
স্বামী : চড় মারলে তুমি! বলো, থাপ্পড়টা ইয়ার্কি করে না সিরিয়াসলি মারলে?
স্ত্রী : কেন, সিরিয়াসলিই মেরেছি।
স্বামী : হু, আজ বেঁচে গেলে। কারণ ইয়ার্কি আমি একদম পছন্দ করি না।
## বাইরে থেকে দরজা নক করছে।
ভেতর থেকে : কে?
বাইরে থেকে : আমি।
ভেতর থেকে : আমি কে?
বাইরে থেকে : আরে, আপনি কে তা আমি কী করে জানবো!!
## এক দিন এক রোগী ডাক্তারের কাছে গিয়ে বলল, ডাক্তার সাব, আমার একটা অদ্ভুদ রোগ হয়েছে।
ডাক্তার বললেন, কি রকম ?
রোগী বলল, আমি অল্পতেই রেগে যাই। গালাগালি করি
ডাক্তার বলল, ব্যাপারটা একটু খুলে বলুন তো।
রোগী বলল, হারামজাদা, কয়বার খুলে বলব!
## একদিন এক ব্যাঙ ভাগ্য পরীক্ষা করার জন্য জোতিষীর কাছে গেলো।
জোতিষী তাকে বললো : খুব শীঘ্রই এক সুন্দরী মেয়ের সাথে তোমার দেখা হবে। মেয়েটি তোমার সম্পর্কে সবকিছু জানে।
ব্যাঙ: চমৎকার! তার সঙ্গে আমার কোথায় দেখা হবে? পার্টিতে নাকি অন্য কোথাও?
জোতিষী : না! মেয়েটির বায়োলজি ক্লাশে!
## জনি একটা কুকুরের লেজ ধরে পাইপে ঢুকনোর চেষ্টা করছে। অনেক্ষণ ধরে ব্যাপারটা লক্ষ্য করছিলেন পাশে দাঁড়ানো এক ভদ্রলোক। এক পর্যায়ে তিনি এগিয়ে এসে বললেন, এই যে ছেলে, তুমি যতই চেষ্টা করো না কেন, কুকুরের লেজ কখনো সোজা করতে পারবে না।
জনির জবাব, না আঙ্কেল আমি তো কুকুরের লেজ সোজা করছি না। এই পাইপটা বাঁকানোর চেষ্টা করছি।
## শিক্ষকঃ বল ফোর্ড কি?
ছাত্রঃ গাড়ী স্যার।
শিক্ষকঃ তাহলে বল, অক্সফোর্ড কি?
ছাত্রঃ উঁম...ঊঁম...গরুর গাড়ী স্যার।
## রাতের অন্ধকারে কী একটা শব্দ শুনে সীমান্তরক্ষী তাঁর কুকুরকে বললেন, যাও তো, গিয়ে দেখে এসো, কী হচ্ছে ওখানে।
গরজ থাকলে নিজেই যান, বস, কুকুর বলল। আমার কাজ তো ঘেউ ঘেউ করা। সেটা আমি এখান থেকেই করতে পারব।
## বুয়াঃ খালাম্মা, দুধের পাতিলে একটা ইঁন্দুর পড়ছে।
গৃহিণীঃ কী! তাড়াতাড়ি ইঁদুরটা সরা।
বুয়াঃ (হেসে) ইঁন্দুর সরানোর ব্যবস্থা কইরাই আফনেরে বলছি। পাতিলের ভিতরে একখান বিলাই রাইখা আসছি!
## বাড়ীর কর্তা(নতুন কাজের লোক কে): ঠিক আছে তুমি আজ থেকে কাজে লেগে যাও। প্রতিদিন ২০ টাকা করে পাবে । চার মাস পর থেকে ৪০ টাকা করে পাবে।
কাজের লোক: আমি তাহলে চার মাস পরেই আসবো।
বাংলা Jokes
## সেই যে বাড়ীতে এক অথিতি এসেছে। এক সপ্তাহ যায় দু সপ্তাহ যায় তবু
নড়বার কোন লক্ষণ নেই। স্বামী-স্ত্রী কেউ কিছু বলতে পারে না লজ্জায় ।
একদিন পাশের ঘরে অথিতিকে শুনিয়ে দুজন খুব ঝগড়া করতে লাগলো, মিছামিছি।
স্ত্রীকে স্বামীর প্রহার এবং স্ত্রীর কান্নায় আওয়াজও শোনা গেল এক
পর্যায়ে। গতিক সুবিধের নয় ভেবে অথিতি ভদ্রলোক তার সুটকেস নিয়ে এক ফাকে
বেরিয়ে গেল। জানালা দিয়ে স্বামী-স্ত্রী দুজনায় তা দেখে ঝগড়া বন্ধ করে
খুব এক চোট হেসে নিল- যে বুদ্ধি করে তারা অথিতি তাড়াতে পেরেছে। স্বামী
বললো তোমার লাগে টাগে নিতো? যে জোরে কাঁদছিলে। স্ত্রী বললো দূর একটুও
লাগেনি। এ তো লোক দেখানো কেঁদেছিলাম । হাসিমুখে এক সময় অথিতির আর্বিভাব, হেঁ, হেঁ আমিও কিন্তু লোক দেখানো গিয়েছিলাম ।
## উকিলঃ সেকি ম্যাডাম ? আপনার স্বামী তো পাঁচ বছর আগে মারা গেছেন । তাহলে চার বছরের আর একটি দু’বছরের বাচ্চা এলো কোথা থেকে ?
ভদ্রমহিলা রাগের স্বরেঃ তা আমি তো বেঁচে আছি না কি?
## মিলি, চিরকাল তো বলে এলি ছেলেরা পশু, ছেলেরা জানোয়ার। শেষে তো একটা ছেলেকেই বিয়ে করলি।
: হঠাৎ আবিষ্কার করলাম – জন্তু-জানোয়ার পোষাটাও হবি হিসেবে মন্দ নয়।
## : এই শোন, ভ্যালেন্টাইনস ডেতে কথা দাও, আজ থেকে তুমি আমার আত্মীয়দের ভালোবাসবে।
: অবশ্যই। দেখ, ইন ফ্যাক্ট আমি কিন্তু তোমার শাশুড়িকে আমার শাশুড়ির চেয়ে বেশি ভালোবাসি।
## অফিস থেকে বাড়ি ফিরে স্বামী বলল, ‘শুরু করার আগে ভাতটা দাও, খেয়ে নিই।’
স্ত্রী ভাত বেড়ে দিল। ভাত খেয়ে স্বামী ড্রয়িংরুমের সোফায় বসতে বসতে বলল, ‘শুরু করার আগে এক গ্লাস পানি দাও...বড্ড তেষ্টা পেয়েছে।’
স্ত্রী পানি দিয়ে গেল। পানি খেতে খেতে স্বামী বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়ল। তারপর বলল, ‘শুরু করার আগে এক কাপ চা দাও না আমাকে।’
এইবার স্ত্রী গেল খেপে, ‘অ্যাই, পেয়েছ কী তুমি আমাকে, আমি তোমার চাকর? অফিস থেকে ফিরে একটার পর একটা খালি অর্ডার মেরেই যাচ্ছ...নির্লজ্জ, অসভ্য, ছোটলোক, স্বার্থপর...’
স্বামী কানে তুলা গুঁজতে গুঁজতে বলে, ‘এই যে...শুরু হয়ে গেল।’
## শিক্ষক: পৃথিবীতে অসম্ভব বলে কিছু নেই।
ছাত্র: জেব্রার একটা রঙিন ছবি তুলে দেখান তো!
## শিক্ষক: শীতকালে অতিথি পাখিরা সাইবেরিয়া থেকে উড়ে আমাদের দেশে আসে কেন?
ছাত্র: স্যার, ওদের তো পয়সা নেই, প্লেনের টিকিট কাটতে পারে না, তাই নিজেরাই কষ্ট করে উড়ে আসে।
## ছেলে: মা, আমার বন্ধুদের সঙ্গে একটু খেলে আসি?
মা: না, তোমার একটা বন্ধুকেও আমার পছন্দ নয়।
ছেলে: তাহলে মা ওদেরকে কথাটা জানিয়ে আসি?
## এলাকায় নতুন একটা দোকান করেছে মালেক। কেবল দুটো জিনিসই বিক্রি হয় সেখানে—ঢোল আর বন্দুক। একদিন তার বন্ধু বেড়াতে এসে খুব অবাক হয়। বলে, ‘কিরে মালেক, কেমন অদ্ভুত দোকান খুলে বসে আছিস, আর কিছু নেই, শুধু ঢোল আর বন্দুক?’
মালেক জবাব দেয়, ‘তা-ই তো বেচে কুল করতে পারি না। একজন একটা ঢোল কিনে নিয়ে গেলেই হলো, পরদিন তার বউ আসে বন্দুক কিনতে।
## ধানের বস্তাবোঝাই বিশাল এক গাড়ি উল্টে পড়ে আছে। গাড়িটাকে সোজা করার চেষ্টা করছে সুমন। পথ দিয়ে যাচ্ছিল তার বন্ধু জুমন। বলল, ‘কিরে, কী করিস এখানে? চল, আমার সঙ্গে চল, একটু ফুটবল খেলে আসি।’
সুমন মাথা নেড়ে জবাব দেয়, ‘না, বাবা রাগ করবে।’
জুমন বলে, ‘ধুর...তুই চল তো!’ বলে টানতে টানতে নিয়ে যায় সুমনকে। দুজনে মিলে ফুটবল খেলে। এবার জুমন বলে, ‘চল, এবার নদীতে সাঁতার কেটে আসি।’
সুমন মাথা নাড়ে, ‘না রে, বাবা রাগ করবে।’
কিন্তু জুমন এবারও কথা শোনে না, টানতে টানতে নিয়ে যায় নদীতে। দুজনে মিলে খুব করে সাঁতরায় ঘণ্টাখানেক। তারপর জুমন বলে, ‘চল, এবার হাট থেকে মিষ্টি খেয়ে আসি।’
সুমন এবারও মাথা নাড়ে, ‘না রে, বাবা রাগ করবে।’
এবার জুমন যায় খেপে, ‘সেই কোন সময় থেকে ‘বাবা রাগ করবে...রাগ করবে’ করছিস, কোথায় তোর বাবা?’
‘ওই যে গাড়িটা দেখলি না উল্টে পড়েছিল, ওটার নিচে আটকে আছে।’
## অফিসে দেরি করে এসেছে দেখে কর্মচারীকে ডেকে পাঠালেন বস, ‘আপনার এখানে নয়টার সময় আসা উচিত ছিল।’
কর্মচারী জবাব দেয়, ‘কেন, স্যার? নয়টার সময় কিছু হয়েছিল বুঝি?’
## শরীর ভালো ঠেকছে না বলে ডাক্তারের কাছে গেলেন শফিক সাহেব। ডাক্তার কতক্ষণ পরীক্ষা করে প্রেসক্রিপশন দিলেন, ‘এই লম্বা বড়িটা সকালবেলা দুই গ্লাস পানির সঙ্গে খাবেন। ক্যাপসুলটা খাবেন দুপুরে, দুই গ্লাস পানির সঙ্গে। আর এই সিরাপটা দিলাম, রাতে খেয়ে তারপর দুই গ্লাস পানি খাবেন।’
ওষুধের বহর দেখে শফিক সাহেব তো ঘাবড়ে গেলেন। বললেন, ‘এত ওষুধ! আমার হয়েছে কী, ডাক্তার?’
ডাক্তার বললেন, ‘আপনি ইদানীং পানি কম খাচ্ছেন।’
## মুরগি চুরির মামলা চলছে। আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়ানো মানুষটাকে বিচারক প্রশ্ন করলেন, ‘তুমিই কি অভিযুক্ত ব্যক্তি?’
লোকটা জবাব দিল, ‘জি না, স্যার, আমি হচ্ছি সেই লোক, যে মুরগিগুলো চুরি করেছে।’
## যুদ্ধের ময়দানে পা রাখার ঠিক আগের মুহূর্তেই সৈনিকদের বোঝাচ্ছেন কর্নেল সাহেব, ‘মনে রাখবে, যে তোমাদের জীবন অতিষ্ঠ করে ছেড়েছে, দিনের পর দিন যে তোমাদের ক্ষতি করে যাচ্ছে, যুদ্ধ থেকে আজ পর্যন্ত তোমরা যার জন্য শান্তিতে একটু বসার সুযোগও পাওনি, আজ তোমরা সেই শত্রুর মুখোমুখি হচ্ছো। জীবন দিয়ে লড়বে। শত্রুর শেষ দেখে তবেই ফিরবে।’
তড়াক করে লাফিয়ে উঠল এক সৈন্য; বলল, ‘আমি জানতাম, আমাদের বাবুর্চি হারামজাদা ওই পক্ষের হয়ে কাজ করছে!’
## মা প্রতিবেশীকে: আমার বড় ছেলে ডাক্তার, মেজো ছেলে ইঞ্জিনিয়ার।
প্রতিবেশী: আর ছোটটা।
মা: ও তো একটা সন্ত্রাসী।
প্রতিবেশী: তাহলে ওকে বাড়ি থেকে বের করে দিচ্ছেন না কেন?
মা: কী বলেন এসব! ওই তো সবচেয়ে বেশি রোজগার করে।
## এক ভদ্রমহিলা এলেন বিশাল এক সুপার শপে। দোকানের বিক্রয়কর্মীকে দেখতে পেয়ে বললেন, আমার স্বামীর জন্য কিছু ফল নিতে চাচ্ছি। আপনাদের ফলগুলোতে কীটনাশক দেওয়া আছে নাকি?
বিক্রয়কর্মী মুখটা কানের কাছে এনে ফিসফিস করে বলল, ফল এখান থেকেই নিতে পারেন। কীটনাশক আমাদের পাশের দোকানে বিক্রি হয়। এনে দেব এক শিশি?
## সাংবাদিক: লোকজন খেতে পায় না, আর আপনি দুধভর্তি সুইমিং পুলে গোসল করেন?
সেরা ধনী: কী করব বলেন...গরুগুলো সব খাটো খাটো...একটার নিচেও দাঁড়াতে পারি না।
## গলফ খেলতে গেছে টিনা।
সাঁই করে ব্যাট চালালো সে। তারপর দেখতে পেলো, তার টার্গেটের কিছুটা দূরে এক লোক হঠাৎ কোমরের নিচটা চেপে ধরে শুয়ে পড়লো।
‘নিশ্চয়ই আমার বলটা ওর ওখানটায় গিয়ে লেগেছে!’ আঁতকে উঠলো সে। তারপর ছুটে গেলো সেখানে।
দেখা গেলো, লোকটা কোঁকাচ্ছে সমানে, কোমরের নিচটায় হাত চেপে রেখেছে সে।
টিনা বললো, ‘ভয় পাবেন না, আমি জানি কী করতে হবে। খুব ব্যথা করছে?’
লোকটা কোনমতে বললো, ‘হ্যাঁ।’
টিনা তখন এগিয়ে গিয়ে, বেচারার প্যান্ট খুলে, মিনিট দশেক ম্যাসেজ করে দিলো। তারপর বললো, ‘এখন কেমন বোধ করছেন?’
লোকটা বললো, ‘দারুণ, কিন্তু বুড়ো আঙুলটায় এসে বল লেগেছে তো, সাংঘাতিক ব্যথা করছে।’
## এক খামার মালিক শখ করে একটা জেব্রা কিনে এনেছে আফ্রিকা থেকে।
এক ভোরে জেব্রাটা বেরিয়ে এলো তার আস্তাবল থেকে। খামারের ভেতরে ঘুরতে লাগলো সে, আর ভাবতে লাগলো, এখানে তার কাজ কী হতে পারে।
প্রথমে তার দেখা হলো একটা মুরগির সাথে। ‘সুপ্রভাত।’ বললো জেব্রা। ‘তুমি এখানে কী করো?’
মুরগি জবাব দিলো, ‘সুপ্রভাত। আমি আমাদের মালিকের খাবারের জন্যে ডিম পাড়ি।’
এরপর তার দেখা হলো একটা গরুর সাথে। ‘সুপ্রভাত।’ বললো জেব্রা। ‘তুমি এখানে কী করো?’
গরু জবাব দিলো, ‘সুপ্রভাত। আমি আমাদের মালিকের খাবারের জন্যে দুধ দিই।’
তার দেখা হলো একটা শুয়োরের সাথে। ‘সুপ্রভাত।’ বললো জেব্রা। ‘তুমি এখানে কী করো?’
শুয়োর ঘোঁতঘোঁত করে জবাব দিলো, ‘সুপ্রভাত। মালিক আমাকে মেরে আমার মাংস খায়।’
জেব্রা কিছুটা ঘাবড়ে গিয়ে সামনে এগোলো।
এবার তার দেখা হলো একটা ষাঁড়ের। ‘সুপ্রভাত।’ বললো জেব্রা। ‘তুমি এখানে কী করো?’
ষাঁড় জেব্রাকে আপাদমস্তক দেখে মুচকি হেসে জবাব দিলো, ‘সুপ্রভাত। তুমি তোমার পাজামাটা খোলো, আমি তোমাকে দেখাচ্ছি আমি এখানে কী করি।’
## এক ফরাসি তরুণী হারিয়ে গেছে।
ঘোড়ায় চড়ে এক রেড ইন্ডিয়ান এসে তাকে প্রস্তাব দিলো কাছের শহরে পৌঁছে দেয়ার।
রাজি হয়ে তরুণী তার ঘোড়ার পেছনে চড়ে বসলো। ঘোড়া ছুটতে লাগলো।
কিন্তু কোন এক বিচিত্র কারণে একটু পরপর রেড ইন্ডিয়ান লোকটি “আআআআআহহ” করে বিকট চিৎকার দিতে লাগলো।
শহরে পৌঁছে বাস স্টেশনের সামনে লোকটি নামিয়ে দিলো তরুণীকে, তারপর আরেকটা বিকট ইয়াহু চিৎকার দিয়ে উল্টোপথে ছুটে গেলো।
বাস স্টেশনের অ্যাটেন্ড্যান্ট বললো, ‘কী ব্যাপার, কী করেছেন আপনি, লোকটা অমন ক্ষেপে গেলো কেন?’
ঘাবড়ে গিয়ে তরুণী বললো, ‘কিছুই না। আমি তো ওর পেছনে ঘোড়ায় চড়ে বসেছিলাম, আর ওর হাত বাড়িয়ে ওর স্যাডলের সামনের দিকে হ্যান্ডেলটা শক্ত করে চেপে ধরে রেখেছিলাম শুধু।’
অ্যাটেন্ড্যান্ট বললো, ‘মিস, রেড ইন্ডিয়ানদের ঘোড়ায় স্যাডল থাকে না।’
## স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে—
স্ত্রী: শোনো, তোমার বন্ধু যে মেয়েটিকে বিয়ে করতে যাচ্ছে ওই মেয়ে কিন্তু অতোটা ভালো নয়।
স্বামী: এতে আমার সমস্যাটা কী?
স্ত্রী: আরে, জেনেশুনে তোমার বন্ধু খারাপ মেয়েকে বিয়ে করবে! তুমি তাকে নিষেধ করছো না কেন?
স্বামী: আমি কেন তাকে নিষেধ করবো! আমি যখন বিয়ে করি তখন তো সে আমাকে নিষেধ করে নি।
## বাবুর বড় বিপদ, ২৫ ইঞ্চি দীর্ঘ প্রত্যঙ্গ নিয়ে গাড্ডায় পড়েছে সে। কোনও মেয়েকে সে ঠিক খুশি করতে পারে না, আবার এই আকৃতি নিয়ে তার নিজেরও নানা হাঙ্গামা। একদিন জঙ্গলে এক দরবেশ বাবার আস্তানায় ধর্ণা দিলো সে। তার সমস্যার কথা খুলে বলে কাকুতিমিনতি করে জানালো, বাবা যদি কোনোভাবে ২৫ ইঞ্চি থেকে তাকে ১০-এ নামিয়ে আনতে পারেন, সে সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকবে।
দরবেশবাবা মিনিট পাঁচেক চোখ বুঁজে ধ্যান করে বললেন, “এখান থেকে সোজা উত্তর দিকে বনের এভতর পাঁচশ কদম হাঁটলে একটা কুয়ো পাবি। ওখানে বাস করে এক মাদী ব্যাং, কিন্তু মানুষের জবানে কথা বলে। তাকে শুধাবি তোকে সে বিয়ে করতে চায় কি না। যদি উত্তরে না বলে, ৫ ইঞ্চি কমে যাবে। এখন যা বেটা। হক মাওলা!”
বাবু ৫০০ কদম এগিয়ে কুয়ো খুঁজে পেলো। ভেতরে উঁকি দিয়ে দেখলো, বাস্তব, একটা ব্যাং বসে। সে গলা খাঁকরে শুধালো, “ইয়ে ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে?”
গম্ভীর গলায় উত্তর এলো, “না!”
বাবু টের পেলো, ২০-এ নেমে গেছে সে। কিন্তু এতেও অসুবিধা হবে ভেবে সে আবারো জিজ্ঞেস করলো, “ও ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে?”
আবারও গম্ভীর গলায় উত্তর এলো, “না!”
বাবু ১৫-তে নেমে এলো।
উল্লসিত বাবু আবারো জিজ্ঞেস করলো, “বলি ও ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে?”
এবার উত্তর এলো, “এক কথা কতবার বলবো তোকে ব্যাটা হারামজাদা? না, না, না!”
## ডাক্তার: কনগ্রাচুলেশন! মেয়ে হয়েছে....
শ্বাশুড়ী: এতো দিন পরে হলো তাও আবার মেয়ে?
বউ: তাও তো হয়েছে.... আপনার ছেলের আশায় থাকলে তাও হতো না।
## উকিলঃ সেকি ম্যাডাম ? আপনার স্বামী তো পাঁচ বছর আগে মারা গেছেন । তাহলে চার বছরের আর একটি দু’বছরের বাচ্চা এলো কোথা থেকে ?
ভদ্রমহিলা রাগের স্বরেঃ তা আমি তো বেঁচে আছি না কি?
## মিলি, চিরকাল তো বলে এলি ছেলেরা পশু, ছেলেরা জানোয়ার। শেষে তো একটা ছেলেকেই বিয়ে করলি।
: হঠাৎ আবিষ্কার করলাম – জন্তু-জানোয়ার পোষাটাও হবি হিসেবে মন্দ নয়।
## : এই শোন, ভ্যালেন্টাইনস ডেতে কথা দাও, আজ থেকে তুমি আমার আত্মীয়দের ভালোবাসবে।
: অবশ্যই। দেখ, ইন ফ্যাক্ট আমি কিন্তু তোমার শাশুড়িকে আমার শাশুড়ির চেয়ে বেশি ভালোবাসি।
## অফিস থেকে বাড়ি ফিরে স্বামী বলল, ‘শুরু করার আগে ভাতটা দাও, খেয়ে নিই।’
স্ত্রী ভাত বেড়ে দিল। ভাত খেয়ে স্বামী ড্রয়িংরুমের সোফায় বসতে বসতে বলল, ‘শুরু করার আগে এক গ্লাস পানি দাও...বড্ড তেষ্টা পেয়েছে।’
স্ত্রী পানি দিয়ে গেল। পানি খেতে খেতে স্বামী বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়ল। তারপর বলল, ‘শুরু করার আগে এক কাপ চা দাও না আমাকে।’
এইবার স্ত্রী গেল খেপে, ‘অ্যাই, পেয়েছ কী তুমি আমাকে, আমি তোমার চাকর? অফিস থেকে ফিরে একটার পর একটা খালি অর্ডার মেরেই যাচ্ছ...নির্লজ্জ, অসভ্য, ছোটলোক, স্বার্থপর...’
স্বামী কানে তুলা গুঁজতে গুঁজতে বলে, ‘এই যে...শুরু হয়ে গেল।’
## শিক্ষক: পৃথিবীতে অসম্ভব বলে কিছু নেই।
ছাত্র: জেব্রার একটা রঙিন ছবি তুলে দেখান তো!
## শিক্ষক: শীতকালে অতিথি পাখিরা সাইবেরিয়া থেকে উড়ে আমাদের দেশে আসে কেন?
ছাত্র: স্যার, ওদের তো পয়সা নেই, প্লেনের টিকিট কাটতে পারে না, তাই নিজেরাই কষ্ট করে উড়ে আসে।
## ছেলে: মা, আমার বন্ধুদের সঙ্গে একটু খেলে আসি?
মা: না, তোমার একটা বন্ধুকেও আমার পছন্দ নয়।
ছেলে: তাহলে মা ওদেরকে কথাটা জানিয়ে আসি?
## এলাকায় নতুন একটা দোকান করেছে মালেক। কেবল দুটো জিনিসই বিক্রি হয় সেখানে—ঢোল আর বন্দুক। একদিন তার বন্ধু বেড়াতে এসে খুব অবাক হয়। বলে, ‘কিরে মালেক, কেমন অদ্ভুত দোকান খুলে বসে আছিস, আর কিছু নেই, শুধু ঢোল আর বন্দুক?’
মালেক জবাব দেয়, ‘তা-ই তো বেচে কুল করতে পারি না। একজন একটা ঢোল কিনে নিয়ে গেলেই হলো, পরদিন তার বউ আসে বন্দুক কিনতে।
## ধানের বস্তাবোঝাই বিশাল এক গাড়ি উল্টে পড়ে আছে। গাড়িটাকে সোজা করার চেষ্টা করছে সুমন। পথ দিয়ে যাচ্ছিল তার বন্ধু জুমন। বলল, ‘কিরে, কী করিস এখানে? চল, আমার সঙ্গে চল, একটু ফুটবল খেলে আসি।’
সুমন মাথা নেড়ে জবাব দেয়, ‘না, বাবা রাগ করবে।’
জুমন বলে, ‘ধুর...তুই চল তো!’ বলে টানতে টানতে নিয়ে যায় সুমনকে। দুজনে মিলে ফুটবল খেলে। এবার জুমন বলে, ‘চল, এবার নদীতে সাঁতার কেটে আসি।’
সুমন মাথা নাড়ে, ‘না রে, বাবা রাগ করবে।’
কিন্তু জুমন এবারও কথা শোনে না, টানতে টানতে নিয়ে যায় নদীতে। দুজনে মিলে খুব করে সাঁতরায় ঘণ্টাখানেক। তারপর জুমন বলে, ‘চল, এবার হাট থেকে মিষ্টি খেয়ে আসি।’
সুমন এবারও মাথা নাড়ে, ‘না রে, বাবা রাগ করবে।’
এবার জুমন যায় খেপে, ‘সেই কোন সময় থেকে ‘বাবা রাগ করবে...রাগ করবে’ করছিস, কোথায় তোর বাবা?’
‘ওই যে গাড়িটা দেখলি না উল্টে পড়েছিল, ওটার নিচে আটকে আছে।’
## অফিসে দেরি করে এসেছে দেখে কর্মচারীকে ডেকে পাঠালেন বস, ‘আপনার এখানে নয়টার সময় আসা উচিত ছিল।’
কর্মচারী জবাব দেয়, ‘কেন, স্যার? নয়টার সময় কিছু হয়েছিল বুঝি?’
## শরীর ভালো ঠেকছে না বলে ডাক্তারের কাছে গেলেন শফিক সাহেব। ডাক্তার কতক্ষণ পরীক্ষা করে প্রেসক্রিপশন দিলেন, ‘এই লম্বা বড়িটা সকালবেলা দুই গ্লাস পানির সঙ্গে খাবেন। ক্যাপসুলটা খাবেন দুপুরে, দুই গ্লাস পানির সঙ্গে। আর এই সিরাপটা দিলাম, রাতে খেয়ে তারপর দুই গ্লাস পানি খাবেন।’
ওষুধের বহর দেখে শফিক সাহেব তো ঘাবড়ে গেলেন। বললেন, ‘এত ওষুধ! আমার হয়েছে কী, ডাক্তার?’
ডাক্তার বললেন, ‘আপনি ইদানীং পানি কম খাচ্ছেন।’
## মুরগি চুরির মামলা চলছে। আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়ানো মানুষটাকে বিচারক প্রশ্ন করলেন, ‘তুমিই কি অভিযুক্ত ব্যক্তি?’
লোকটা জবাব দিল, ‘জি না, স্যার, আমি হচ্ছি সেই লোক, যে মুরগিগুলো চুরি করেছে।’
## যুদ্ধের ময়দানে পা রাখার ঠিক আগের মুহূর্তেই সৈনিকদের বোঝাচ্ছেন কর্নেল সাহেব, ‘মনে রাখবে, যে তোমাদের জীবন অতিষ্ঠ করে ছেড়েছে, দিনের পর দিন যে তোমাদের ক্ষতি করে যাচ্ছে, যুদ্ধ থেকে আজ পর্যন্ত তোমরা যার জন্য শান্তিতে একটু বসার সুযোগও পাওনি, আজ তোমরা সেই শত্রুর মুখোমুখি হচ্ছো। জীবন দিয়ে লড়বে। শত্রুর শেষ দেখে তবেই ফিরবে।’
তড়াক করে লাফিয়ে উঠল এক সৈন্য; বলল, ‘আমি জানতাম, আমাদের বাবুর্চি হারামজাদা ওই পক্ষের হয়ে কাজ করছে!’
## মা প্রতিবেশীকে: আমার বড় ছেলে ডাক্তার, মেজো ছেলে ইঞ্জিনিয়ার।
প্রতিবেশী: আর ছোটটা।
মা: ও তো একটা সন্ত্রাসী।
প্রতিবেশী: তাহলে ওকে বাড়ি থেকে বের করে দিচ্ছেন না কেন?
মা: কী বলেন এসব! ওই তো সবচেয়ে বেশি রোজগার করে।
## এক ভদ্রমহিলা এলেন বিশাল এক সুপার শপে। দোকানের বিক্রয়কর্মীকে দেখতে পেয়ে বললেন, আমার স্বামীর জন্য কিছু ফল নিতে চাচ্ছি। আপনাদের ফলগুলোতে কীটনাশক দেওয়া আছে নাকি?
বিক্রয়কর্মী মুখটা কানের কাছে এনে ফিসফিস করে বলল, ফল এখান থেকেই নিতে পারেন। কীটনাশক আমাদের পাশের দোকানে বিক্রি হয়। এনে দেব এক শিশি?
## সাংবাদিক: লোকজন খেতে পায় না, আর আপনি দুধভর্তি সুইমিং পুলে গোসল করেন?
সেরা ধনী: কী করব বলেন...গরুগুলো সব খাটো খাটো...একটার নিচেও দাঁড়াতে পারি না।
## গলফ খেলতে গেছে টিনা।
সাঁই করে ব্যাট চালালো সে। তারপর দেখতে পেলো, তার টার্গেটের কিছুটা দূরে এক লোক হঠাৎ কোমরের নিচটা চেপে ধরে শুয়ে পড়লো।
‘নিশ্চয়ই আমার বলটা ওর ওখানটায় গিয়ে লেগেছে!’ আঁতকে উঠলো সে। তারপর ছুটে গেলো সেখানে।
দেখা গেলো, লোকটা কোঁকাচ্ছে সমানে, কোমরের নিচটায় হাত চেপে রেখেছে সে।
টিনা বললো, ‘ভয় পাবেন না, আমি জানি কী করতে হবে। খুব ব্যথা করছে?’
লোকটা কোনমতে বললো, ‘হ্যাঁ।’
টিনা তখন এগিয়ে গিয়ে, বেচারার প্যান্ট খুলে, মিনিট দশেক ম্যাসেজ করে দিলো। তারপর বললো, ‘এখন কেমন বোধ করছেন?’
লোকটা বললো, ‘দারুণ, কিন্তু বুড়ো আঙুলটায় এসে বল লেগেছে তো, সাংঘাতিক ব্যথা করছে।’
## এক খামার মালিক শখ করে একটা জেব্রা কিনে এনেছে আফ্রিকা থেকে।
এক ভোরে জেব্রাটা বেরিয়ে এলো তার আস্তাবল থেকে। খামারের ভেতরে ঘুরতে লাগলো সে, আর ভাবতে লাগলো, এখানে তার কাজ কী হতে পারে।
প্রথমে তার দেখা হলো একটা মুরগির সাথে। ‘সুপ্রভাত।’ বললো জেব্রা। ‘তুমি এখানে কী করো?’
মুরগি জবাব দিলো, ‘সুপ্রভাত। আমি আমাদের মালিকের খাবারের জন্যে ডিম পাড়ি।’
এরপর তার দেখা হলো একটা গরুর সাথে। ‘সুপ্রভাত।’ বললো জেব্রা। ‘তুমি এখানে কী করো?’
গরু জবাব দিলো, ‘সুপ্রভাত। আমি আমাদের মালিকের খাবারের জন্যে দুধ দিই।’
তার দেখা হলো একটা শুয়োরের সাথে। ‘সুপ্রভাত।’ বললো জেব্রা। ‘তুমি এখানে কী করো?’
শুয়োর ঘোঁতঘোঁত করে জবাব দিলো, ‘সুপ্রভাত। মালিক আমাকে মেরে আমার মাংস খায়।’
জেব্রা কিছুটা ঘাবড়ে গিয়ে সামনে এগোলো।
এবার তার দেখা হলো একটা ষাঁড়ের। ‘সুপ্রভাত।’ বললো জেব্রা। ‘তুমি এখানে কী করো?’
ষাঁড় জেব্রাকে আপাদমস্তক দেখে মুচকি হেসে জবাব দিলো, ‘সুপ্রভাত। তুমি তোমার পাজামাটা খোলো, আমি তোমাকে দেখাচ্ছি আমি এখানে কী করি।’
## এক ফরাসি তরুণী হারিয়ে গেছে।
ঘোড়ায় চড়ে এক রেড ইন্ডিয়ান এসে তাকে প্রস্তাব দিলো কাছের শহরে পৌঁছে দেয়ার।
রাজি হয়ে তরুণী তার ঘোড়ার পেছনে চড়ে বসলো। ঘোড়া ছুটতে লাগলো।
কিন্তু কোন এক বিচিত্র কারণে একটু পরপর রেড ইন্ডিয়ান লোকটি “আআআআআহহ” করে বিকট চিৎকার দিতে লাগলো।
শহরে পৌঁছে বাস স্টেশনের সামনে লোকটি নামিয়ে দিলো তরুণীকে, তারপর আরেকটা বিকট ইয়াহু চিৎকার দিয়ে উল্টোপথে ছুটে গেলো।
বাস স্টেশনের অ্যাটেন্ড্যান্ট বললো, ‘কী ব্যাপার, কী করেছেন আপনি, লোকটা অমন ক্ষেপে গেলো কেন?’
ঘাবড়ে গিয়ে তরুণী বললো, ‘কিছুই না। আমি তো ওর পেছনে ঘোড়ায় চড়ে বসেছিলাম, আর ওর হাত বাড়িয়ে ওর স্যাডলের সামনের দিকে হ্যান্ডেলটা শক্ত করে চেপে ধরে রেখেছিলাম শুধু।’
অ্যাটেন্ড্যান্ট বললো, ‘মিস, রেড ইন্ডিয়ানদের ঘোড়ায় স্যাডল থাকে না।’
## স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে—
স্ত্রী: শোনো, তোমার বন্ধু যে মেয়েটিকে বিয়ে করতে যাচ্ছে ওই মেয়ে কিন্তু অতোটা ভালো নয়।
স্বামী: এতে আমার সমস্যাটা কী?
স্ত্রী: আরে, জেনেশুনে তোমার বন্ধু খারাপ মেয়েকে বিয়ে করবে! তুমি তাকে নিষেধ করছো না কেন?
স্বামী: আমি কেন তাকে নিষেধ করবো! আমি যখন বিয়ে করি তখন তো সে আমাকে নিষেধ করে নি।
## বাবুর বড় বিপদ, ২৫ ইঞ্চি দীর্ঘ প্রত্যঙ্গ নিয়ে গাড্ডায় পড়েছে সে। কোনও মেয়েকে সে ঠিক খুশি করতে পারে না, আবার এই আকৃতি নিয়ে তার নিজেরও নানা হাঙ্গামা। একদিন জঙ্গলে এক দরবেশ বাবার আস্তানায় ধর্ণা দিলো সে। তার সমস্যার কথা খুলে বলে কাকুতিমিনতি করে জানালো, বাবা যদি কোনোভাবে ২৫ ইঞ্চি থেকে তাকে ১০-এ নামিয়ে আনতে পারেন, সে সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকবে।
দরবেশবাবা মিনিট পাঁচেক চোখ বুঁজে ধ্যান করে বললেন, “এখান থেকে সোজা উত্তর দিকে বনের এভতর পাঁচশ কদম হাঁটলে একটা কুয়ো পাবি। ওখানে বাস করে এক মাদী ব্যাং, কিন্তু মানুষের জবানে কথা বলে। তাকে শুধাবি তোকে সে বিয়ে করতে চায় কি না। যদি উত্তরে না বলে, ৫ ইঞ্চি কমে যাবে। এখন যা বেটা। হক মাওলা!”
বাবু ৫০০ কদম এগিয়ে কুয়ো খুঁজে পেলো। ভেতরে উঁকি দিয়ে দেখলো, বাস্তব, একটা ব্যাং বসে। সে গলা খাঁকরে শুধালো, “ইয়ে ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে?”
গম্ভীর গলায় উত্তর এলো, “না!”
বাবু টের পেলো, ২০-এ নেমে গেছে সে। কিন্তু এতেও অসুবিধা হবে ভেবে সে আবারো জিজ্ঞেস করলো, “ও ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে?”
আবারও গম্ভীর গলায় উত্তর এলো, “না!”
বাবু ১৫-তে নেমে এলো।
উল্লসিত বাবু আবারো জিজ্ঞেস করলো, “বলি ও ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে?”
এবার উত্তর এলো, “এক কথা কতবার বলবো তোকে ব্যাটা হারামজাদা? না, না, না!”
## ডাক্তার: কনগ্রাচুলেশন! মেয়ে হয়েছে....
শ্বাশুড়ী: এতো দিন পরে হলো তাও আবার মেয়ে?
বউ: তাও তো হয়েছে.... আপনার ছেলের আশায় থাকলে তাও হতো না।
আবার জোকস
## প্রশ্ন : চীনে বেড়ালদের মেরে ফেলা হচ্ছে কেন ?
উত্তর : কারণ তারা মাও না বলে ম্যাও বলছে ।
## কলিকাতার কবিভাবাপন্ন, কাব্যানুরাগী কানাই কর্মকারের কাজলাঞ্জন কনিষ্ঠা কন্যা কামিনী কর্মকার,
কপাল কুঞ্চিত করিয়া, কঙ্কন কচলাইয়া, কাকা কেদার কর্মকারকে কানে কানে কোমল কন্ঠে কহিলো,
কাকা কুঞ্জে কৃষ্ণ-কালো কোকিল কাকুতি করিতে করিতে কুহু কুহু করিলেও কলিকাতার কতিপয় কালো কাক,
কোকাইতে-কোকাইতে কোন কারণে কুলক্ষনে কা-কা করে?
কোন কালের কাকেরা কা-কা করিয়া কাকে কাকা কহিতেছে?
কুহেলী কাকেদের কাকা কে?
কটুভাষী, কৃপণ কেদার কাকা কটাক্ষে কটমট করিয়া কহিলেন- কন্যা, কপাল কুঞ্চিত করিতেছো কেনো?
কোকিল কুহু কুহু করিলে, কাকও কা-কা করিবে,
কেনোনা কা-কা করাই কাকের কাজ, কাজেই কাক কা-কা করে।
ক্লিষ্ট কাকের কপালে কা-কা করাই কঠিন কর্তব্য। কাকেদের কাকা কোনো কালেই কেহনা।
কলেজের এক ছেলে এক মেয়েকে টিজ করার
উদ্দেশ্যে বলছে-
ছেলেঃ যাইবা নাকি কাজী অফিস?
মেয়েঃ চল!
ছেলেঃ কই যামু?
মেয়েঃ প্রিন্সিপালের কাছে!
ছেলেঃ ওমাহ্ ! আপু আপনের লগে কি একটু মশকরাও
করন যাইব না!!!
মেয়েঃ আরে গাধা, ছুটি নিতে....
## একজন পুরুষ আর একজন মহিলার মধ্যে পার্থক্য কি?
পুরুষ এক কান দিয়ে শুনে অন্য কান দিয়ে তা বের করে দেয়। একজন মহিলা দুই কান দিয়ে শুনে আর মুখ দিয়ে তা বের করে দেয়।
## টিনেজ বালক বালিকার মধ্যে পার্থক্য কি?
বালিকা ঠোটে লিপস্টিক লাগায়। বালক সেই লিপস্টিক ঠোট দিয়ে মুছে দেয়।
## কুমারী আর মহামারীরি মধ্যে পার্থক্য কি?
মহামারী জীবন নাশ করে আর কুমারী পুরুষের হৃদয় নাশ করে।
## সবচেয়ে নীচ প্রকৃতির লোক কাকে বলা হয়?
সবচেয়ে নীচ প্রকৃতির লোক তাকেই বলা হয় যে তার স্ত্রীর প্রেগন্যান্ট হওয়ার আগ পর্যন্ত স্ত্রীকে জানায়নি যে সে ভ্যসেকটমি করিয়েছে।
## ব্যাচেলর আর ননব্যাচেলর এর মধ্যে পার্থক্য কি?
ব্যাচেলররা রাতে বাথরুম যেতে হলে খাটের দুই দিক থেকেই নামতে পারে, ননব্যাচেলররা পারে শুধু এক দিক থেকে।
## সুন্দরী রোগী: ডাক্তার আমি শুনেছি আপনি নাকি একজন লেডী কিলার।
ডাক্তার: ভুল শুনেছেন। আমার চিকিৎসায় নারী পুরুষ উভয়ের মৃত্যু ঘটে।
## বিয়ের রাতে ডাক্তার বরের হাতে সবাই নতুন স্ত্রীর হাত তুলে দিল।
ডাক্তার হাতের স্পর্শ পেয়ে অভ্যাসবশত পালস গুণতে শুরু করে দিলেন। তারপর বলে বসলেন এবার জিভটা বের করুন দেখি।
## আগে দম্পতিরা ডাক্তারের কাছে জানতে চাইতেন তারা আর ছেলে মেয়ে নিতে পারবেন কিনা।
এখন জানতে হয় বাড়ীওয়ালার কাছে।
## স্ত্রীরকবরের এপিটাফে স্বামী বেচারে লিখেছে-
এখানে আমার স্ত্রী বিশ্রাম করছে। একই সাথে বর্তমানে আমারও বিশ্রাম চলছে।
## রোগী: মাত্র পাঁচ মিনিটে একটা দাঁত তোলার জন্য আপনাকে ৫০০ টাকা দিতে হবে!
ডেন্টিস: চিন্তা করবেন না। আমি ধীরে ধীরে সময় নিয়ে টেনে আপনার দাঁত তুলব।
## পুলিশ নাইট ক্লাবে হানা দিয়ে তিন মহিলার সাথে হোটেলের ম্যানেজারকেও গ্রেপ্তার করে আদালতে চালান করে দিল। বিচার শুরু হলে জর্জ মেয়েদের প্রফেশন লাইফ সম্পর্কে প্রশ্ন করে রায় দিচ্ছেন-
প্রথম মেয়ে: স্যার, আমি একজন মডেল।
জর্জ তাকে তিন মাসের জেল দিলেন।
দ্বিতীয়মেয়ে: স্যার, আমি একজন অভিনেত্রী।
জর্জ তাকেও তিন মাসের দন্ড দিলেন।
তৃতীয় মেয়ে: স্যার, আমি কলগার্ল।
জর্জ তাকে বেকসুর খালাস দিলেন।
এবার জর্জ ম্যানেজারের দিকে তাকিয়ে- তা তোমার পেশা কি?
ম্যানেজারের উত্তর: স্যার আমিও কলগার্ল।
## ১ম বন্ধু: কিরে তোর মুখে ব্যান্ডেজ বাধা কেন? তোর ডান চোখটাতো অল্পের জন্য বেঁচে গেছে। কে তোর এই দশা করল?
২য় বন্ধু: আর বলিস না সকাল বেলায় অফিসে বেরোবার আগে প্যান্টের সামনের একাট বোতাম ছিড়ে গেল। আমি ব্যাচেলর মানুষ। তাই পাশের অ্যাপার্টমেন্টের মিসেস ললার সাহায্য চাইলাম।
১ম বন্ধু: বুঝতে পারছি। প্যান্টের ঐ জায়গায় বোতাম লাগাতে বলায় ভদ্রমহিলা নিশ্চয়ই ভাবলেন তুই কোন অসভ্য ইঙ্গিত করছিস। তারপর তোকে জুতা পেটা করলেন।
২য় বন্ধু: না না, তা নয়। মিসেস লরা একজন সমাজ সেবিকা। তিনি আমার সমস্যা বুঝতে পারলেন। দ্রুত সুঁই-সুতা নিয়ে আমার প্যান্টের বোতাম লাগিয়ে দিলেন।
১ম বন্ধু: তাহলে সমস্যাটা কি?
২য় বন্ধু: বোতামটা লাগানো শেষ করে মিসেস লরা যখন মাথা নিচু করে দাঁত দিয়ে সুতোটা কেটে দিচ্ছিলেন তখনই উনার হাজব্যান্ড এসে উপস্থিত। তারপরতো বুঝতেই পারছিস।
## সি. আই. এ অফিসে নতুন এজেন্ট দরকার। প্রার্থী দুইজন পুরুষ, একজন মহিলা।
এদের নার্ভ কেমন শক্ত তা পরীক্ষা করতে কর্তৃপক্ষ তাদের প্রত্যেককে একটি করে পিস্তল দিল। এদের কাজ হবে পাশের রুমে এদের একজন প্রিয় মানুষ আছে। তাকে গুলি করতে হবে। তবে এদের জানানো হয়নি পিস্তলে আসলে কোন গুলি নেই।
প্রথম প্রাথী রুমে প্রবেশ করে দেখল একটি চেয়ারে হাত মুখ বাধা অবস্থায় তার স্ত্রী। প্রিয় জনকে দেখে তার চোখ দিয়ে পানি পড়তে শুরু করে। গুলি করার বদলে ছুটে গিয়ে সে তার স্ত্রীকে মুক্ত করল । ফলে এই পরীক্ষায় সে ফেল মারল।
দ্বিতীয় প্রার্থীর বেলায়ও একই ব্যাপার ঘটল।
তৃতীয় মহিলা প্রার্থী ভেতরে প্রবেশ করে তার স্বামীকে হাত বাধা অবস্থায় পেল। অনেকক্ষণ পর সেই মেয়ে হাপাতে হাপাতে বেরিয়ে আসল। রেগে মেগে বলতে লাগল আপনারা কি পিস্তল দিয়েছেন গুলিই বের হয় না। শেষ পর্যন্ত পিস্তলের বাট দিয়ে পিটিয়ে আমার স্বামীকে মারতে হয়েছে।
## দ্বিতীয বিশ্বযুদ্ধের সময় সৈনিক সংকট দেখা দিলে কতৃপক্ষ নিয়ম করে দেয় প্রতি পরিবার থেকে একজন তরুণকে যুদ্ধে অংশ নিতে হবে।
জর্জ কোন ভাবেই যুদ্ধে যাবে না। মেডিকেল ফিটনেস পরীক্ষার জন্য যখন তার ডাক পড়ল তখন সে তার গার্লফ্রেন্ড এর ইউরিন স্যাম্পল নিজের ইউরিন স্যাম্পল বলে আর্মি হাসপাতালে জমা দিয়ে দিল। তার বান্ধবীর ছিল ডায়বেটিস । ডায়বেটিস ধরা পড়লে সে আনফিট ঘোষিত হবে এবং তাকে যুদ্ধে যেতে হবে না।
পরদিনই ঐ তরুণ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চিঠি পেল।
কংগ্রেচুলেশ! আপনি অবিলম্বে আমাদের গাইনি বিভাগে যোগাযোগ করুন। কারণ আপনি মা হতে যাচ্ছেন।
## একজন ইংরেজ নাইট ধর্মযুদ্ধে যাচ্ছিল।
সে তার স্ত্রীর সতীত্ব রক্ষার্থে একটা সতীত্ব রক্ষাকারী বেল্টের দ্বারা তাকে আবদ্ধ করে তার সবচাইতে বিশ্বস্থ বন্ধুকে তার চাবিটা বিশ্বাস করে দিয়ে গেল।
সে তিন চার মাইল যাবার আগেই পিছনে ফিরে দেখল তার বন্ধু ঘোড়া ছুটিয়ে চিৎকার করতে করতে আসছে- থামো বন্ধু, তুমি আমাকে ভুল চাবি দিয়ে গেছ।
## এক ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ এক তরুণীকে বিয়ে করতে চাচ্ছেন।
ডাক্তারের কাছে গেলেন ফিটনেস সার্টিফিকেট আনতে। ডাক্তার সব পরীক্ষা নিরীক্ষা করে -আনফিট ফর সেক্স সার্টিফিকেট ধরিয়ে দিলেন।
বৃদ্ধ রেগে মেগে ডাক্তারকে বলতে লাগলেন- আপনি কি মনে করে আমাকে এই সার্টিফিকেট দিলেন। আপনি কি জানেন আমার আঙ্গুল বিশেষ করে মধ্যমায় এখনো জোর আছে। আর আমার জিহ্বা এখনও সচল আছে।
## পোস্ট অফিসের লোকের প্রাপকের ঠিকানা ছাড়া একটি চিঠি পেল। চিঠি খোলার পর দেখা গেল এক লোক ঈশ্বরের কাছে ১০০০ টাকা চেয়ে চিঠি লিখেছে। পোস্ট অফিসের লোকদের মনে দয়া হল। তারা নিজেদের মধ্যে চাঁদা উঠিয়ে ঐ লোকের ঠিকানায় ১০০ টাকা পাঠিয়ে দিল।
এর কয়েক দিন পর ঠিকানা বিহীন আবার একটি চিঠি পাওয়া গেল। প্রাপক পূর্বের সেই লোক। খোলার পর দেখা গেল সেই লোক ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠি দিয়েছে-
আপনার পাঠানো টাকা আমি পেয়েছি। তবে এর পর থেকে টাকা পাঠালে দয়া করে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঠাবেন। আমাদের দেশের পোস্ট অফিসের অবস্থাতো আপনি জানেন। আমার ধারণা আপনার পূর্বের পাঠানো ১০০০ টাকা থেকে ৯০০ টাকা পোস্ট অফিসের লোকেরা মেরে দিয়েছে। আমি শুধু ১০০ টাকা পেয়েছি।
## জেলার ফাসির আসামির শেষ ইচ্ছা জানতে চাইলেন।
স্যার, আমি মরার আগে বাইবেল পড়ে মরতে চাই।
ঠিক আছে তোমার ইচ্ছা পূরণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বাইবেল আনা হলে আসামী এক লাইন পড়ে চুপ মেরে যায়।
কি হল তুমি বাইবেল পড়ে শেষ কর।
স্যার, আমি প্রতিদিন এক লাইন এর বেশী পড়তে পারব না। আপনি আমায় কথা দিয়েছেণ বাইবল শেষ না হলে ফাসির আদেশ দিবেন না।
আসামীর ফাসির আদেশ স্থগিত হয়ে যায় বহু বছরের জন্য।
## এক সফটওয়্যার ডেভেলপার সব কাজের জন্য কম্পিউটারের সরণাপন্ন হয়। তার ছিল দুইটি ঘড়ি। একটি এক মিনিট ফাস্ট চলে, অপরটি সব সময় বন্ধ থাকে। কোন ঘড়িটা তার জন্য ভাল হবে এটা জানতে সে কম্পিউটারের পরামর্শ চাইল।
কম্পিউটার তাকে পরামর্শ দিল- যে ঘড়িটা আধা মিনিট ফাস্ট চলে সেটা ১৪৪০ দিনে একবার সঠিক সময় দেবে। আর যে ঘড়িটা সব সময় বন্ধ থাকে সেটা ২৪ ঘন্টায় অন্তত দুইবার সঠিক সময় দেবে। অতএব যে ঘড়িটা সব সময় বন্ধ থাকে সেটা ব্যবহার করাই তোমার জন্য ভাল হবে।
## জর্জ বুশ এসেছেন বাংলাদেশ সফরে। আমেরিকানরা কি কি যুগান্তকারী আবিস্কার করেছে তার ফিরিস্তি বর্ণনা করছেন- আমরা এই সভ্যতাকে অনেক কিছু দিয়েছি। তবে যে যাই বলুক আমি মনে করি এই শতাব্দীর সব চেয়ে বড় আবিস্কার হচ্ছে ফ্লাক্স। সবাই মুখ চাওয়া চাওয়ি করতে লাগলেন।
বুশ তখন বিজয়ীর ভঙিতে বলতে লাগলেন- আপনারা নিশ্চয়ই ভাবছেন এত কিছু থাকতে আমি সামান্য ফ্লাক্সের কথা কেন ভাবছি। ব্যাখা করলেই আপনারা তা বুঝতে পারবেন। শীতকালে ফ্লাক্সে গরম পানি রাখেলে পানি গরম থাকে, আবার গরমের সময় ফ্রাক্সে ঠান্ডা পানি রাখেলে পানি ঠান্ডা থাকে। আমি বুঝতে পারি না ব্যাটা বুঝে কিভাবে কখন শীতকাল আর কখন গ্রীষ্মকাল চলছে।
## ঈশ্বর তিন দেশের প্রেসিডেন্টের কাছে জানতে চাইলেন কার কি ইচ্ছা।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট: স্যার, আমার দেশ কবে এই অর্থনৈতিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে পারবে। ঈশ্বর বললেন-আরও ১০ বছর লাগবে। ওবামা চোখ মুছতে মুছতে বলতে লাগলেন হায় আমি ক্ষমতায় থাকতে তা আর দেখে যেতে পারব না।
চীনের প্রেসিডেন্ড: স্যার, আমার দেশ কবে অর্থনীতিতে স্বয়ং সমপূর্ণ দেশে পরিণত হবে। ঈশ্বর বললেন- আরও ২০ বছর লাগবে। চীনের প্রেসিডেন্ড চোখ মুছতে মুছতে বলতে লাগলেন হায় আমি বেচে থাকতে তা বুঝি আর দেখে যেতে পারবনা।
বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট: স্যার আমাদের দেশের সব সমস্যা কবে শেষ হবে।
এবার ঈশ্বর হাউ মাউ করে কাঁদতে শুরু করে দিলেন-হায়রে তোদের সমস্যা যে কবে শেষ হবে তা বুঝি আমি আর দেখে যেতে পারলাম না।
## এক মেয়ে গাইনী ডাক্তারের কাছে এসেছে চেকআপ করাতে।
ডাক্তার: বাড়ী গিয়ে আপনার স্বামীকে বলুন বাচ্চা আসছে।
মেয়ে: আমার কোন স্বামী নেই।
ডাক্তার: তাহলে আপনার বয়ফ্রেন্ডকে বলুন।
মেয়ে: আমার কোন বয়ফ্রেন্ড নেই।
ডাক্তার: ঠিক আছে। তাহলে আপনার মাকে গিয়ে বলুন-দ্বিতীয় যীশুর আবির্ভাব ঘটতে যাচ্ছে।
19 January 2012
Do you Know
Special thanks to:
Anonymous
&
Source:
http://www.somewhereinblog.net/blog/manik20002003/29524785
18 January 2012
মজার গণিত
১ x ৮ + ১ = ৯
১২ x ৮ + ২ = ৯৮
১২৩ x ৮ + ৩ = ৯৮৭
১২৩৪ x ৮ + ৪ = ৯৮৭৬
১২৩৪৫ x ৮ + ৫ = ৯৮৭৬৫
১২৩৪৫৬ x ৮ + ৬ = ৯৮৭৬৫৪
১২৩৪৫৬৭ x ৮ + ৭ = ৯৮৭৬৫৪৩
১২৩৪৫৬৭৮ x ৮ + ৮ = ৯৮৭৬৫৪৩২
১২৩৪৫৬৭৮৯ x ৮ + ৯ = ৯৮৭৬৫৪৩২১
১ x ৯ + ২ = ১১
১২ x ৯ + ৩ = ১১১
১২৩ x ৯ + ৪ = ১১১১
১২৩৪ x ৯ + ৫ = ১১১১১
১২৩৪৫ x ৯ + ৬ = ১১১১১১
১২৩৪৫৬ x ৯ + ৭ = ১১১১১১১
১২৩৪৫৬৭ x ৯ + ৮ = ১১১১১১১১
১২৩৪৫৬৭৮ x ৯ + ৯ = ১১১১১১১১১
১২৩৪৫৬৭৮৯ x ৯ +১০= ১১১১১১১১১১
৯ x ৯ + ৭ = ৮৮
৯৮ x ৯ + ৬ = ৮৮৮
৯৮৭ x ৯ + ৫ = ৮৮৮৮
৯৮৭৬ x ৯ + ৪ = ৮৮৮৮৮
৯৮৭৬৫ x ৯ + ৩ = ৮৮৮৮৮৮
৯৮৭৬৫৪ x ৯ + ২ = ৮৮৮৮৮৮৮
৯৮৭৬৫৪৩ x ৯ + ১ = ৮৮৮৮৮৮৮৮
৯৮৭৬৫৪৩২ x ৯ + ০ = ৮৮৮৮৮৮৮৮৮
১২ x ৮ + ২ = ৯৮
১২৩ x ৮ + ৩ = ৯৮৭
১২৩৪ x ৮ + ৪ = ৯৮৭৬
১২৩৪৫ x ৮ + ৫ = ৯৮৭৬৫
১২৩৪৫৬ x ৮ + ৬ = ৯৮৭৬৫৪
১২৩৪৫৬৭ x ৮ + ৭ = ৯৮৭৬৫৪৩
১২৩৪৫৬৭৮ x ৮ + ৮ = ৯৮৭৬৫৪৩২
১২৩৪৫৬৭৮৯ x ৮ + ৯ = ৯৮৭৬৫৪৩২১
১ x ৯ + ২ = ১১
১২ x ৯ + ৩ = ১১১
১২৩ x ৯ + ৪ = ১১১১
১২৩৪ x ৯ + ৫ = ১১১১১
১২৩৪৫ x ৯ + ৬ = ১১১১১১
১২৩৪৫৬ x ৯ + ৭ = ১১১১১১১
১২৩৪৫৬৭ x ৯ + ৮ = ১১১১১১১১
১২৩৪৫৬৭৮ x ৯ + ৯ = ১১১১১১১১১
১২৩৪৫৬৭৮৯ x ৯ +১০= ১১১১১১১১১১
৯ x ৯ + ৭ = ৮৮
৯৮ x ৯ + ৬ = ৮৮৮
৯৮৭ x ৯ + ৫ = ৮৮৮৮
৯৮৭৬ x ৯ + ৪ = ৮৮৮৮৮
৯৮৭৬৫ x ৯ + ৩ = ৮৮৮৮৮৮
৯৮৭৬৫৪ x ৯ + ২ = ৮৮৮৮৮৮৮
৯৮৭৬৫৪৩ x ৯ + ১ = ৮৮৮৮৮৮৮৮
৯৮৭৬৫৪৩২ x ৯ + ০ = ৮৮৮৮৮৮৮৮৮
28 November 2011
জোকস আবার
-নাপিত ভুল করলেঃ
- নতুন স্টাইল
-রাজনীতিবিদ ভুল করলেঃ
- নতুন আইন
-বিজ্ঞানী ভুল করলে
- নতুন উদ্ভাবন.
-দর্জি ভুল করলে
- নতুন ফ্যাশন
-শিক্ষক ভুল করলে
- নতুন থিওরি
-আর ছাত্ররা ভুল করলে
- এইটা আসলেই ভুল এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
====================================================
প্রেম কখন হয় ?
যখন দিন কাল খারাপ থাকে,রাহু কেতু আর শনির দশা আছর করে, আপনার ফাটা কপাল আরও ফাটার জোর সম্ভাবনা থাকে তখন
====================================================
প্র: সেক্স কি ?
উ: সেক্স হচ্ছে- স্ত্রীর সাথে বিজ্ঞান, বান্ধবীর সাথে কলা, বারবণীতার সাথে অর্থনীতি এবং পাশের বাসার আন্টীর সাথে সমাজকল্যাণ
================================================
এক মহিলা আরেক মহিলাকে গল্প করছিল, আমার স্বামী ছাড়া আজ পর্যন্ত কেউ আমাকে চুমু খায় নি ~
দ্বিতীয় মহিলাঃ এটা আপনার গর্ব না অনুশোচনা ?
====================================================
ক্লাসে শিক্ষক আর ছাত্রদের কথোপকথন…….
শিক্ষক : মনে করো তুমি তোমার গার্লফ্রেন্ড এর সাথে কোথাও ডিনার খেতে গেছো, এমন সময় তোমার টয়লেটে যেতে হবে, তাহলে তুমি তাকে কি বলে যাবে?
রোকন : এক মিনিট দাড়াও, আমি প্রসাব করে আসতেছি।
শিক্ষক : এটা খুব খারাপ শোনায়্, এর থেকে ভালো কেউ পারবা?
…
শাহীন : জান আমি দুঃখিত , কিন্তু আমাকে টয়লেটে যেতে হবে, আমি একটু পরেই আসতেছি।
শিক্ষক : এটা অনেক ভালো হয়েছে, তবে এর থেকে ভালো কেউ পারবা?
দুষ্ট ছেলে : জান আমাকে একটু যেতে হবে ২ মিনিট এর জন্য্, আমার এক ফ্রেন্ড (!) এর সাথে হাত মিলায় আসি, তুমি চিন্তা করো না, আমাদের ডিনার এর পর আমার ঐ ফ্রেন্ড এর সাথে তোমাকে পরিচয় করিয়ে দিব ।
এটা শোনার সাথে সাথেই শিক্ষক অজ্ঞান হযে পড়ে গেলো।
====================================================
১৮ বছরের ছেলে একটা ১৮ বছরের মেয়েকেঃ “আমি তোমাকে ভালোবাসি!!”
১৮ বছরের মেয়েঃ “ছিঃ!! কতবড় অসভ্য।। মেয়েদের সম্মান করতে জানো নাহ!!”
৪ বছরের ছেলে একটা ১৮ বছরের মেয়েকেঃ “আমি তোমাকে ভালোবাসি!!”
১৮ বছরের মেয়েঃ “ও মা, কত কিউট!! অবশ্যই!! আমিও তোমাকে ভালোবাসি!!”
=====================================================
স্বামী- তোমায় যখন আজ থেকে ৩ বছর আগে প্রথম দেখে ভালোবেসে ছিলাম, তখন আর এখন কার মাঝে একটা চরম মিল আছে!
স্ত্রী (লাজুক হাসি হেসে)- কি?
স্বামী- তুমি আগের মতই কোক এর বোতল এর মতই ফিগার মেইনটেইন করছ !
স্ত্রী- সত্যি!! যাহ, দুষ্টু !!
স্বামী- পার্থক্য একটাই--
আগে ছিলা ২৫০ মিলি কাচের বোতল এখন হইছ ২ লিটার
প্লাস্টিক বোতল !
- নতুন স্টাইল
-রাজনীতিবিদ ভুল করলেঃ
- নতুন আইন
-বিজ্ঞানী ভুল করলে
- নতুন উদ্ভাবন.
-দর্জি ভুল করলে
- নতুন ফ্যাশন
-শিক্ষক ভুল করলে
- নতুন থিওরি
-আর ছাত্ররা ভুল করলে
- এইটা আসলেই ভুল এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
====================================================
প্রেম কখন হয় ?
যখন দিন কাল খারাপ থাকে,রাহু কেতু আর শনির দশা আছর করে, আপনার ফাটা কপাল আরও ফাটার জোর সম্ভাবনা থাকে তখন
====================================================
প্র: সেক্স কি ?
উ: সেক্স হচ্ছে- স্ত্রীর সাথে বিজ্ঞান, বান্ধবীর সাথে কলা, বারবণীতার সাথে অর্থনীতি এবং পাশের বাসার আন্টীর সাথে সমাজকল্যাণ
================================================
এক মহিলা আরেক মহিলাকে গল্প করছিল, আমার স্বামী ছাড়া আজ পর্যন্ত কেউ আমাকে চুমু খায় নি ~
দ্বিতীয় মহিলাঃ এটা আপনার গর্ব না অনুশোচনা ?
====================================================
ক্লাসে শিক্ষক আর ছাত্রদের কথোপকথন…….
শিক্ষক : মনে করো তুমি তোমার গার্লফ্রেন্ড এর সাথে কোথাও ডিনার খেতে গেছো, এমন সময় তোমার টয়লেটে যেতে হবে, তাহলে তুমি তাকে কি বলে যাবে?
রোকন : এক মিনিট দাড়াও, আমি প্রসাব করে আসতেছি।
শিক্ষক : এটা খুব খারাপ শোনায়্, এর থেকে ভালো কেউ পারবা?
…
শাহীন : জান আমি দুঃখিত , কিন্তু আমাকে টয়লেটে যেতে হবে, আমি একটু পরেই আসতেছি।
শিক্ষক : এটা অনেক ভালো হয়েছে, তবে এর থেকে ভালো কেউ পারবা?
দুষ্ট ছেলে : জান আমাকে একটু যেতে হবে ২ মিনিট এর জন্য্, আমার এক ফ্রেন্ড (!) এর সাথে হাত মিলায় আসি, তুমি চিন্তা করো না, আমাদের ডিনার এর পর আমার ঐ ফ্রেন্ড এর সাথে তোমাকে পরিচয় করিয়ে দিব ।
এটা শোনার সাথে সাথেই শিক্ষক অজ্ঞান হযে পড়ে গেলো।
====================================================
১৮ বছরের ছেলে একটা ১৮ বছরের মেয়েকেঃ “আমি তোমাকে ভালোবাসি!!”
১৮ বছরের মেয়েঃ “ছিঃ!! কতবড় অসভ্য।। মেয়েদের সম্মান করতে জানো নাহ!!”
৪ বছরের ছেলে একটা ১৮ বছরের মেয়েকেঃ “আমি তোমাকে ভালোবাসি!!”
১৮ বছরের মেয়েঃ “ও মা, কত কিউট!! অবশ্যই!! আমিও তোমাকে ভালোবাসি!!”
=====================================================
স্বামী- তোমায় যখন আজ থেকে ৩ বছর আগে প্রথম দেখে ভালোবেসে ছিলাম, তখন আর এখন কার মাঝে একটা চরম মিল আছে!
স্ত্রী (লাজুক হাসি হেসে)- কি?
স্বামী- তুমি আগের মতই কোক এর বোতল এর মতই ফিগার মেইনটেইন করছ !
স্ত্রী- সত্যি!! যাহ, দুষ্টু !!
স্বামী- পার্থক্য একটাই--
আগে ছিলা ২৫০ মিলি কাচের বোতল এখন হইছ ২ লিটার
প্লাস্টিক বোতল !
Subscribe to:
Posts (Atom)
-
১। দাদুভাই গেছে একটা ভায়েগ্রা কিনতে। দোকানদার বলল, “ দাদু একটা কেন আরও নেন” দাদুভাই, “ আমার এতটুকু খাড়া করতে হবে ,যাতে পেশাব করতে গেলে...
-
SOME IMPORTANT NOTES ABOUT SUBJECTS AND VERBS: 1. The subject of a sentence is either a NOUN or a PRONOUN. It is helpful to think of a PRON...
-
নতুন রুট সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না পেলে এগোবে না জাইকা পথহারা মেট্রোরেল এ কে এম জাকারিয়া ও আনোয়ার হোসেন ...
